ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বড় কোনো বিক্ষোভ বা আন্দোলনের আগে আরও আগাম তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে পুলিশ।
আয়োজক ও সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিজেদের কাছে রাখতে চায় দিল্লি পুলিশ। এজন্য একটি বিশেষ তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের নাম, পরিচয়, বাড়ির ঠিকানা, সংগঠনের তথ্য এবং যোগাযোগের বিষয়গুলো সংগ্রহ করা হতে পারে।
দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখাকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
এর আগে পুলিশ সাধারণত শুধু বিক্ষোভের স্থান এবং সম্ভাব্য মানুষের সংখ্যা সম্পর্কে তথ্য রাখত। এবার এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আন্দোলনকারীদের পরিচয় ও সাংগঠনিক তথ্য।
পুলিশ জানতে চায়, বিক্ষোভের নেতৃত্বে কারা আছেন, কোন সংগঠন এর সঙ্গে যুক্ত এবং অংশগ্রহণকারীরা কোথা থেকে আসছেন।
সম্প্রতি একটি বড় বিক্ষোভ কর্মসূচির পর এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযান কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে সমস্যায় পড়তে হয় বলে দাবি করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ ঘটনায় লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
দিল্লি পুলিশের ধারণা, ভবিষ্যতে বড় বিক্ষোভের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগাম তথ্য আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তবে পুলিশের এই পরিকল্পনা নিয়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হবে এবং কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা তৈরি হতে পারে।








