দিনে ১৮টি ওষুধ খাওয়ার মতো ভয়াবহ সময় পার করেছেন ভারতের টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ প্রিন্স নারুলা। ‘ডাবল ডেট’–এ এসে তিনি বলেন, তীব্র উদ্বেগই তাঁকে পুরোপুরি গ্রাস করেছিল—তাই প্রতিদিন ট্যাবলেটের হিসাব হয়ে গিয়েছিল ১৮।
তীব্র উদ্বেগ, শরীর-মন—দুটোই বিপর্যস্ত

প্রিন্স জানান, তখন হৃৎকম্পন হচ্ছিল, রাতে ভয় পেয়ে ঘুম ভেঙে যেত। সঙ্গে ওজনও বেড়ে যায়। শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়তে থাকে, আর উদ্বেগ আস্তে আস্তে তাঁর পুরো জীবন নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরু করে।
চাপের সময়টা দাম্পত্যেও ছায়া ফেলে
এই সময় তিনি একসঙ্গে পারিবারিক চাপও অনুভব করেন। প্রিন্স বলেন, স্ত্রী যুবিকা চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কও কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পড়ে। এমন পর্যায় পর্যন্ত গিয়েছিল যে আলাদা হওয়ার কথাও তাঁরা ভেবেছিলেন। তবে প্রিন্সের ভাষায়, কোনো একজনের দোষ ছিল না—দুজনেই মানসিকভাবে ভালো অবস্থায় ছিলেন না।
সংগীত হয়ে ওঠে ভরসার জায়গা
কষ্টের মাঝেও টিকে থাকার শক্তি পান প্রিন্স সংগীত থেকে। তিনি বলেন, খারাপ সময়ের মধ্যে সংগীতই তাঁকে মানসিকভাবে শান্তি দিয়েছে এবং শক্তি জুগিয়েছে। নিজের টানাপোড়েন সামলাতে এই মাধ্যমটা তাঁর জন্য ছিল বড় সহায়তা।
সন্তান আসার পর বদলে যায় দৃষ্টিভঙ্গি
পরে সন্তান আসার পর জীবন এবং সম্পর্কের প্রতি তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। প্রিন্স জানান, এখন আর ঝগড়া হয় না বললেই চলে। আর যদি কখনো কিছু ঘটে যায়ও, মেয়ের দিকে তাকালেই মন নরম হয়ে যায়—সবাই মিলে পরিস্থিতি সহজ হয়ে যায়।
প্রিন্স নারুলার খোলামেলা এই কথাগুলো প্রবাসী দর্শকের কাছেও আলাদা গুরুত্ব পায়। কারণ উদ্বেগ, ঘুম ভেঙে যাওয়া, সম্পর্কে টানাপোড়েন—এগুলো অনেকেরই দৈনন্দিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়ায়। গল্পটা মনে করিয়ে দেয়, সাহায্য, সঙ্গ ও নিজের যত্ন—এগুলোই বড় ভরসা।
সংক্ষেপে জেনে নিন
কী বললেন প্রিন্স? তীব্র উদ্বেগে দিনে ১৮টি ওষুধ খেতে হতো বলে জানিয়েছেন।
উদ্বেগের প্রভাব কী ছিল? হৃৎকম্পন, রাতে ভয়, ঘুম ভাঙা ও ওজন বাড়ার কথা বলেছেন।
কীভাবে কাটিয়ে উঠলেন? সংগীতের শান্তি, আর স্ত্রী-সন্তানের ভরসার কথা বলেছেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









