GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / ৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি পেলেন হবিগঞ্জের শিক্ষার্থী

৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি পেলেন হবিগঞ্জের শিক্ষার্থী

বৃত্তি সনদ হাতে শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পটভূমি

চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়ার স্বপ্ন এখন সত্যি হয়েছে হবিগঞ্জের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস (জেমি)র। চার বছর মেয়াদি বৃত্তির আওতায় তিনি পেয়েছেন প্রায় ৭৪ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা—এটাই বদলে দিচ্ছে তার ভবিষ্যৎ।

৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি, স্বপ্ন পূরণে বড় ধাপ

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির পরিচালক চিঠি দিয়ে জান্নাতুলকে বৃত্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই বৃত্তির অধীনে প্রতিবছর তিনি ১৫ হাজার মার্কিন ডলার করে পাবেন—মোট সহায়তা মিলিয়ে প্রায় ৭৪ লাখ টাকার সমান।

চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা

জান্নাতুল এখন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের শিক্ষার্থী হিসেবে উচ্চশিক্ষায় মনোযোগী হবেন। চার বছর মেয়াদি এ পরিকল্পনায় তার লক্ষ্য—পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে গিয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করা এবং সামনের দিকে আরও সুযোগ তৈরি করা।

শেভরনের সামার স্কুল পেরিয়ে সুযোগ

জান্নাতুল হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৫ সালে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেন—যেটি সফলভাবে শেষ করার পর উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান।

প্রথমে অবিশ্বাস, পরে নিজের প্রস্তুতি

বৃত্তির কথা জানার পর জান্নাতুল বলেছিলেন, শুরুতে তিনি বিশ্বাস করতে পারেননি। বারবার চিঠি পড়ে তারপর বিশ্বাস তৈরি হয়। এখন তিনি নিজেকে আরও প্রস্তুত করার কথা জানিয়েছেন—এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় থেকে। একই সঙ্গে তিনি চান, আরও শিক্ষার্থীরাও যেন এ ধরনের সুযোগ পেতে পারে।

প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এগোনোর বার্তা

জান্নাতুলের বাবা আফজল আলী একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মেয়ের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তাঁর ছিল না—তাই বৃত্তি পাওয়ায় তিনি চিন্তামুক্ত হয়েছেন। কলেজ কর্তৃপক্ষও বলছেন, সদিচ্ছা, প্রচেষ্টা আর প্রতিভার সমন্বয় থাকলে প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

প্রবাসী পাঠকদের জন্যও এ খবরের মূল্য আলাদা—কারও শ্রম, পরিশ্রম আর সুযোগ সৃষ্টি হলে দূরের শিক্ষাপথে এগোনোর আশা জাগে। দেশের প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীরাও যে সঠিক সহায়তায় এগিয়ে যেতে পারে, এটিই জান্নাতুলের গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা।

সংক্ষেপে কয়েকটি প্রশ্ন

জান্নাতুলের বৃত্তি কতদিনের? চার বছর মেয়াদি।

বৃত্তির সহায়তা কত? মোট প্রায় ৭৪ লাখ টাকার সমান।

তার সুযোগ তৈরিতে কোন প্রোগ্রাম ভূমিকা রাখে? শেভরনের সহায়তায় পরিচালিত সামার স্কুল প্রোগ্রাম সফলভাবে শেষ করাই বড় ধাপ।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons