কলকাতার নিউমার্কেটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতায় বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন—এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিউমার্কেট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনা

নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকা বাংলাদেশিদের জন্য বহুদিনের জনপ্রিয়। চিকিৎসা, কেনাকাটা ও ভ্রমণের জন্য অনেকেই এখানে আসেন। তাই বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার সঙ্গে শহরের পর্যটন ও ব্যবসায়িক স্বার্থও জড়িত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
জরুরি বৈঠকে থাকছে হোটেল-গেস্টহাউস ও ব্যবসায়ীরা
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর স্থানীয় হোটেল, গেস্টহাউস ও ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘স্ট্রিট ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ জরুরি বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে। এই বৈঠকে কলকাতায় আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
ভবিষ্যৎ দুর্ঘটনা ঠেকাতে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা
সংগঠনের সম্পাদক আলী হায়দার বলেছেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের কলকাতায় যাতায়াত বহু বছর ধরে নিয়মিত। এটি একটি দুর্ঘটনা হলেও ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হবে। বৈঠকে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায়—সেটিও আলোচনায় থাকবে।
কলকাতার ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে উদ্যোগ
আলী হায়দার আরও বলেন, কলকাতার ভাবমূর্তি কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তা জোরদার করার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর কথাও উঠে আসবে বৈঠকে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এ ধরনের আলোচনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কলকাতায় অবস্থানরত স্বজনদের নিরাপদে থাকা, থাকা-খাওয়ার পরিবেশ এবং জরুরি সহায়তার প্রস্তুতি—সবকিছুর সঙ্গে এই উদ্যোগের বাস্তব যোগসূত্র আছে।
প্রবাসীদের জন্য কী জানা জরুরি
- কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় থাকা-খাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্নি-নিরাপত্তা ও জরুরি ব্যবস্থা আছে কি না, সেটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
- স্বজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে আপডেট থাকা ভালো।
- এলাকার হোটেল-গেস্টহাউস কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া যেতে পারে।
সংক্ষেপে প্রশ্ন-উত্তর
বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কেন বৈঠক হচ্ছে?
নিউমার্কেট এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর বাংলাদেশি নাগরিকদের সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে আলোচনা করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে কারা থাকছে?
স্থানীয় হোটেল, গেস্টহাউস ও ব্যবসায়ীদের সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা বৈঠকে আলোচনায় বসবেন।
বৈঠকের লক্ষ্য কী?
যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ঠিক করা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









