GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ৩২ হাজার প্রক্রিয়া শুরু

প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ৩২ হাজার প্রক্রিয়া শুরু

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা ক্লাস পরিচালনা করছেন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘ অপেক্ষার একটা বড় ধাপ এগোল। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পর শূন্য পদও ভরবে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা ক্লাস পরিচালনা করছেন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হলে সহকারী শিক্ষকদের যেসব পদ শূন্য হবে, সেসব পদে আবারও নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে বিদ্যালয়ের ভেতরের শূন্যতা দ্রুত পূরণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলমান

এদিকে একই সময়ে ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলমান আছে বলে জানান তিনি। প্রাথমিক শ্রেণিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করতে এই দুই ধাপের পরিকল্পনা একসঙ্গে কাজ করবে বলে ইঙ্গিত দেন সংশ্লিষ্টরা।

বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন-প্রাথমিকের ওপর কড়াকড়ি

কর্মশালা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, নিবন্ধন ছাড়া কোনো কিন্ডারগার্টেন বা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা করা যাবে না। নিবন্ধনের সুযোগ সহজ করা হলেও কেউ তা না নিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করা হবে বলেও তিনি জানান।

মনিটরিংয়ে নতুন নীতিমালা

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এতদিন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কিন্ডারগার্টেনের জন্য কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট মনিটরিং ব্যবস্থা ছিল না। এখন সরকারি ও বেসরকারি সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কার্যকর নজরদারির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নতুন মনিটরিং নীতিমালায় বিদ্যালয়ের আয়তন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়ার কথাও জানান তিনি। ছোট পরিসরে বিদ্যালয় পরিচালনা হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যাও সে অনুযায়ী সীমিত রাখার নির্দেশনার বিষয়টি উঠে আসে।

পিটিআই-থেকে মাঠপর্যায়ের শূন্য পদ পূরণের আশ্বাস

ববি হাজ্জাজ জানান, মাঠপর্যায়ে তদারকির জন্য জনবল থাকলেও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, ইউপিটিসি ইন্সট্রাক্টর এবং পিটিআই ইন্সট্রাক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে শূন্যতা রয়েছে। আইনি জটিলতার কারণে কিছু নিয়োগ ও পদায়ন আটকে থাকলেও শিগগির এসব পদ পূরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

প্রশিক্ষণও কম সময়ে ‘অন দ্য জব’ পদ্ধতিতে

শিক্ষকদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের সময় কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে পিটিআইয়ে শিক্ষকদের ১০ মাসের ইন-ক্যাম্পাস প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়; এটি কমিয়ে দুই মাস করার চেষ্টা চলছে। বাকি প্রশিক্ষণ কর্মস্থলে কাজের পাশাপাশি ‘অন দ্য জব’ পদ্ধতিতে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। এতে তুলনামূলক কম সময়ে বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রবাসী পরিবারগুলোর জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ—প্রাথমিক পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষক ও ভালো তদারকি মানে শিশুদের শেখার পরিবেশে নিয়মিততা আসবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোলে বিদ্যালয়ে শূন্যতা কমে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ধারাবাহিকতা বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে।

শেষ প্রশ্নোত্তর

প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে শুরু হলো?
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিয়োগের পর সহকারী শিক্ষকদের পদেও কী হবে?
প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পর সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদগুলোতেও নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন পরিচালনায় শর্ত কী?
নিবন্ধন ছাড়া পরিচালনা করা যাবে না; নিবন্ধন না নিলে কার্যক্রম বন্ধের কথাও বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons