GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় দুই সিটি উদ্যোগ, সমন্বয়ে ঘাটতি

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় দুই সিটি উদ্যোগ, সমন্বয়ে ঘাটতি

ঢাকায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশা নিধন ও হাসপাতাল নজরদারি কার্যক্রমের চিত্র

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। কিন্তু হাসপাতাল থেকে রোগীর তথ্য সংগ্রহ আর মাঠপর্যায়ে তদারকিতে সমন্বয়ের ঘাটতি সামনে এসেছে—যা প্রবাসী পরিবারগুলোর টানটান নিরাপত্তা ভাবনাতেও সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

রোগী শনাক্ত হলে বাড়ি-এলাকা লক্ষ্য

ঢাকায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশা নিধন ও হাসপাতাল নজরদারি কার্যক্রমের চিত্র

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলে তাঁর বাড়ি ও আশপাশে গিয়ে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য ডেঙ্গু রোগী বেশি ভর্তি হয়—এমন হাসপাতাল থেকে নিয়মিত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করার কথা বলা হয়েছে।

হাসপাতালে গিয়ে মিলছে না নির্ধারিত কর্মী

তবে উদ্যোগ শুরুর দিকেই সমন্বয় ও নজরদারির দুর্বলতা দেখা গেছে। রাজধানীর দুটি হাসপাতালে গিয়ে নির্ধারিত তথ্য সংগ্রহকারীদের পাওয়া যায়নি—কয়েক দিন ধরে সিটি করপোরেশনের কাউকে দেখেনি কর্মীরাও। কেউ কেউ আবার দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার কথা জানিয়েও প্রথম তথ্য সংগ্রহের দিন হিসেবে একই দিনে যাওয়ার কথা বলেছেন।

উত্তর সিটির তথ্য সংগ্রহে সময়ের ব্যবধান

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়—এমনটাই বলা হয়েছে। কিন্তু যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনে সাড়া মেলেনি, আর আরেক কর্মীর ফোন বন্ধ পাওয়ার কথাও এসেছে। হাসপাতালের ভেতরের ওয়ার্ডগুলোতে দেখা যায়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহকারীদের নিয়মিত উপস্থিতি ছিল না।

দক্ষিণ সিটিতে তদারকি কমিটি থাকলেও নিয়মিত নয়

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম একসঙ্গে পরিচালনা করতে ১০টি অঞ্চলে তদারকি কমিটি করেছে। সদস্যদের প্রতিদিন সকালে মাঠে গিয়ে কাজ তদারকির কথা থাকলেও বাস্তবে নিয়মিত তদারকির চিত্র মেলেনি। দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ কোথায় কবে গেছেন—সেটিও অনেক ক্ষেত্রে মনে করতে পারেননি। পাশাপাশি একটি অঞ্চলের দায়িত্বও দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা থাকলেও নতুন করে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

ডেঙ্গুর বাড়তি চাপের মধ্যে কার্যকারিতা প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এই বাস্তবতায় হাসপাতালে রোগীর তথ্য দ্রুত হাতে পাওয়া এবং এরপরই বাড়ি-এলাকায় কার্যকরভাবে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা—দুইটাই জরুরি। কিন্তু তথ্য সংগ্রহ ও মাঠপর্যায়ে ধারাবাহিক উপস্থিতি ও নজরদারিতে ঘাটতি থাকলে নিয়ন্ত্রণের গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কাই তৈরি হয়।

প্রশ্ন: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দুই সিটি কী উদ্যোগ নিয়েছে?
উত্তর: রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বাড়ি-এলাকায় গিয়ে প্রজননস্থল ধ্বংসের পরিকল্পনা ও মশা নিধন-পরিচ্ছন্নতায় তদারকি কমিটি গঠনের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন: কোন জায়গায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা গেছে?
উত্তর: হাসপাতাল থেকে রোগীর তথ্য সংগ্রহ এবং মাঠপর্যায়ে প্রতিদিন তদারকির ধারাবাহিকতায় দুর্বলতা দেখা গেছে।

প্রশ্ন: প্রবাসীদের জন্য এ খবর কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: পরিবারের সদস্যরা দেশে থাকলে দ্রুত কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি—ঝুঁকি কমাতে সরাসরি সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons