চট্টগ্রামের আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
ভিত্তি তৈরির ধারাবাহিকতা ও নতুন গতি

ভূমি প্রতিমন্ত্রী জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার সেটিকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে কাজ করছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অর্থনীতিকে গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সেই বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
দীর্ঘদিনের চেষ্টা অবশেষে বাস্তবায়নের পথে
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের চেষ্টা চললেও তা আলোর মুখ দেখেনি। তবে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। এতে দুই দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রভাব
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই অর্থনৈতিক অঞ্চল শুধু বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে না; কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত ছিলেন
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ানসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী নেতা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রশ্ন ১: সিইআইজেডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলো কোথায়?
উত্তর: চট্টগ্রামের আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায়।
প্রশ্ন ২: প্রতিমন্ত্রী মূলত কী বিষয়ে জোর দেন?
উত্তর: চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হওয়ার বিষয়ে।
প্রশ্ন ৩: সিইআইজেড থেকে কী ধরনের সুফল আশা করা হচ্ছে?
উত্তর: বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন ও স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: JagoNews24.com









