
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল গান ‘সির সির’ প্রকাশের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন নোরা ফাতেহি ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক ডিজে ও সংগীত প্রযোজক সানজয়। ৯ জুন প্রকাশের মাত্র এক দিনের মধ্যেই ইউটিউবে গানটি ৩ কোটি (৩০ মিলিয়ন) ভিউ অতিক্রম করেছে।
৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের এই গানটি ফিফার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলসহ নোরা ফাতেহি ও সানজয়ের ব্যক্তিগত চ্যানেলেও প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে গানটি ব্যাপক সাড়া ফেলছে।
ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ, আন্তর্জাতিক সংগীতের ছন্দ এবং উদ্দীপ্ত নৃত্যশৈলীর সমন্বয়ে তৈরি ‘সির সির’ বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে অবস্থান করছে।
গানটির কোরিওগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনায় ফুটে উঠেছে এক বৈশ্বিক উৎসবের আবহ। নোরা ফাতেহির পারফরম্যান্স যেমন দর্শকদের দৃষ্টি কাড়েছে, তেমনি গানের রিদম ও প্রোডাকশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সানজয়।
বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া সানজয় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডিজে ও ইডিএম সংগীত প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজের পাশাপাশি তিনি বলিউড ও বৈশ্বিক সংগীত জগতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। অরিজিৎ সিং, গুরু রন্ধাওয়া, সুনিধি চৌহানসহ একাধিক জনপ্রিয় শিল্পীর সঙ্গে তার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বিশ্বকাপের অফিসিয়াল মিউজিক অ্যালবামে জায়গা পাওয়া এই গানে সানজয়ের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সংগীত অঙ্গনের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই অ্যালবামে শাকিরা, দ্য রোলিং স্টোনস, ড্যাডি ইয়াঙ্কি, বার্না বয় ও রেমার মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীরাও যুক্ত রয়েছেন।
সব মিলিয়ে এক ফ্রেমে নোরা, ভেজড্রিম ও সানজয়ের উপস্থিতি গানটিকে আরও বৈশ্বিক মাত্রা দিয়েছে।
অন্যদিকে, ফিফা বিশ্বকাপের আরেক আলোচিত গান শাকিরার ‘দাই দাই’ দুই সপ্তাহে ইউটিউবে ১০৮ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে। তবে সেই তুলনায় নোরা ফাতেহি ও সানজয়ের ‘সির সির’ প্রকাশের মাত্র এক দিনেই ৩০ মিলিয়নের বেশি ভিউ পেয়ে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মুক্তির শুরুতেই এমন দ্রুত গতিতে ভিউ বাড়ায় গানটি আন্তর্জাতিক সংগীত জগতে নতুন একটি সেনসেশনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংগীতপ্রেমীরা। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল মিউজিক অ্যালবামের অংশ হিসেবে এটি এখন বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।





