Home / জাতীয় / সরকার ৩৬টি স্টার্টআপে মোট ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বলে সংসদে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী।

সরকার ৩৬টি স্টার্টআপে মোট ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বলে সংসদে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী।

সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ-এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের অনুমোদন পেলেও যাচাই-বাছাই ও শর্তসংক্রান্ত মতানৈক্যের কারণে ১৯টির বিনিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ তথ্য জানান। বিকেল তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। পরে কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।

ওই সংসদ সদস্য জানতে চান, দেশে নতুন কতটি স্টার্টআপকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, কতগুলো আর্থিক সহায়তা পেয়েছে এবং তাদের অগ্রগতি কী। পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্টার্টআপ খাতে আরও উৎসাহ দিতে সহজ শর্তে বা সুদবিহীন ঋণের ব্যবস্থা করা হবে কি না, তাও জানতে চান তিনি।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। তবে অনুমোদনের পর আইনি যাচাই-বাছাই (লিগ্যাল ডিউ ডিলিজেন্স) ও বিনিয়োগের শর্ত নির্ধারণ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ৫৫টির মধ্যে ১৯টি স্টার্টআপ বিভিন্ন অসংগতি ও শর্তসংক্রান্ত মতানৈক্যের কারণে বাতিল করা হয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে চালডাল লিমিটেড, টেন মিনিট স্কুল লিমিটেড, সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেড এবং ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ লিমিটেড।

তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের বিকাশে সরকারের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোতে পৃষ্ঠপোষকতা ও বিনিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Social Icons