চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাটে ইলিশ নিয়ে এখন সরগরম অবস্থা। সাগরে ধরা পড়া মাছ ট্রলার ও ট্রাকে করে দ্রুত আনা হচ্ছে বাজারে, আর পরের ধাপ—আকারভেদে ভাগ করে প্যাকেট—চলছে থেমে থেমে।
ট্রলার থেকে ট্রাকে, তারপর ফিশারিঘাট

সাগরে ধরা ইলিশ প্রথমে ট্রলারে উঠে আসে। এরপর সেটি ট্রাকে করে সরাসরি চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাট মাছ বাজারে নিয়ে আসা হয়। এই দ্রুত যাতায়াতই পুরো পাইকারি ব্যবস্থাকে সচল রাখছে।
আকারভেদে নেওয়া হচ্ছে ইলিশ
ফিশারিঘাটে ইলিশ নামানোর পর পাইকারদের চোখে পড়ে আকার। মাছগুলো আকারভেদে আলাদা করা হচ্ছে—যাতে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত সরবরাহ করা যায়। ফলে বাজারে ছোট-বড় মাছের ব্যস্ততা দৃশ্যমান।
প্যাকেটিং, বরফ ও গন্তব্যের প্রস্তুতি
আকারভেদে ভাগ করার পর ইলিশ প্যাকেট করা হয়। তারপর বরফ দেওয়া হয়, যাতে মাছের মান ঠিক থাকে। এরপর প্যাকেট করা ইলিশ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানোর প্রস্তুতি চলে।
পাইকার-শ্রমিকের ব্যস্ত সময়
এই পুরো প্রক্রিয়ায় কাজ করছে পাইকারি বিক্রেতা ও শ্রমিকেরা। নামানো থেকে শুরু করে ভাগ করা, প্যাকেটিং এবং বরফ ব্যবহারের মতো ধাপগুলো ধরে ধরে এগোচ্ছে। সেই কারণেই ফিশারিঘাট এলাকায় দিনভর মানুষের কোলাহল।
প্রবাসী ক্রেতাদের জন্যও বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ—কারণ সঠিক সময়ে বাজারে পৌঁছালে ইলিশের প্রাপ্যতা ও মান নিয়ে অনিশ্চয়তা কমে। আর দূর-দূরান্তের বাজারে যাওয়ার আগেই ফিশারিঘাটের এই ব্যস্ততা বলে দিচ্ছে, সরবরাহ চেইনটা সচল আছে।
প্রশ্ন-উত্তর
ইলিশ আনা হয় কোথা থেকে?
সাগরে ধরা ইলিশ ট্রলার ও ট্রাকে করে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাট মাছ বাজারে আনা হয়।
ফিশারিঘাটে ইলিশের কাজ কীভাবে হয়?
আকারভেদে নেওয়ার পর প্যাকেট করে বরফ দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।
কারা ব্যস্ত থাকে ফিশারিঘাটে?
পাইকারি বিক্রেতা এবং শ্রমিকেরা মাছ আনা, ভাগ করা ও প্রস্তুতির কাজে ব্যস্ত থাকেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









