ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারির উদ্যোগে এনসিবিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে গ্রেপ্তার করে দেশে আনার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ।
এনসিবিকে চিঠি ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটর কার্যালয়ের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠির বিষয় ছিল ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারির ব্যবস্থা।
ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ কেন জরুরি
ইন্টারপোলের সহায়তায় বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা হয়। ‘রেড নোটিশ’ জারি হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা সহজ হয়। ফলে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের পথেও গতি আসে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য—যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তাঁরা জানতে পেরেছেন আজিজ আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর এনসিবিকে ‘রেড নোটিশ’ জারির জন্য চিঠি দেওয়া হয়। এনসিবি ইন্টারপোলের কাছে চিঠিটি পাঠিয়েছে কি না—এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর সরাসরি কিছু বলেননি, তবে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
মামলার প্রেক্ষাপট ও আরও পদক্ষেপের ইঙ্গিত
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজিজ আহমেদকে ৪১ আসামির একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই মামলায় ১১ জন গ্রেপ্তার আছেন; বাকি আসামিদের মধ্যে আজিজ আহমেদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ায় শুধু তাঁর বিষয়েই চিঠি দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিদের অবস্থানও নিশ্চিত হলে তাঁদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এর অর্থ কী
প্রবাসে থাকা মানুষের কাছে এমন উদ্যোগ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় আনার সুযোগ বাড়ে। এতে দেশে বিচার কার্যক্রম এগোবার বাস্তব পথ তৈরি হয় এবং আইনশৃঙ্খলার কার্যকারিতা দৃশ্যমান হয়।
প্রশ্নোত্তর
রেড নোটিশের উদ্দেশ্য কী?
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আন্তর্জাতিক সমন্বয় সহজ করা।
চিঠি কে দিয়েছে?
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় এনসিবিকে চিঠি দিয়েছে।
চিঠির লক্ষ্য কার?
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









