ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে সবচেয়ে জোরালো যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা হলো—যৌথ শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় আরও বাড়ানো। একই সঙ্গে ফারসি ভাষা শিক্ষার প্রসার, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং নতুন সহযোগিতামূলক উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
যৌথ শিক্ষা ও গবেষণায় গতি বাড়াতে আলোচনা

বুধবার উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলমান যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়ে কথা হয়। সহযোগিতার পরিধি কীভাবে সম্প্রসারিত হবে—সে পরিকল্পনাও গুরুত্ব পায়।
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চিকিৎসা, ফার্মেসি পর্যন্ত
দুই পক্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সৌর প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও ফার্মেসিসহ একাধিক ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেয়। শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য সুযোগ তৈরির লক্ষ্যেও এই দিকগুলোকে সামনে আনা হয়।
ভাষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়েও জোর
আলোচনায় ভাষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের বিষয়টিও ছিল কেন্দ্রে। বিশেষ করে ফারসি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ নিয়ে মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের যৌথ পৃষ্ঠপোষকতায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের কথাও আসে।
ইরানি অধ্যাপক নিয়োগে আগ্রহ জানালেন রাষ্ট্রদূত
ইরানের রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি বলেন, শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ইরানি অধ্যাপক নিয়োগের আগ্রহ রয়েছে। এ সফরে বিশ্ববিদ্যালয় সফর ও যৌথ একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করায় রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য।
প্রবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
এই ধরনের বিনিময় উদ্যোগ শুধু ক্যাম্পাসের ভেতরের সুযোগ নয়। গবেষণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ, ভাষাগত প্রস্তুতির পথ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নেটওয়ার্ক প্রবাসী শিক্ষার্থী ও পরিবারের স্বপ্ন—সবকিছুকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। ভবিষ্যতে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়লে চাকরি, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা সম্ভাবনাও বিস্তৃত হয়।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
ঢাবি ও ইরানের মধ্যে কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে?
যৌথ শিক্ষা-গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও ফার্মেসি, এবং ফারসি ভাষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়—এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ফারসি ভাষা নিয়ে কী উদ্যোগের কথা এসেছে?
ফারসি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত কী ধরনের সহযোগিতায় আগ্রহ দেখিয়েছেন?
ইরানি অধ্যাপক নিয়োগ এবং ইরানের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় যৌথ কার্যক্রমের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









