ইছামতি নদীর পানি বাড়ায় বেনাপোলের প্লাবিত এলাকার পাশে দাঁড়িয়েছে বিজিবি। দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পানিবন্দি ১০০ পরিবার ত্রাণসামগ্রী পেলেন—যা ঘরবাড়ি ডুবলেও স্বাভাবিক খাবার জোগাতে সহায়ক হবে।
বুধবার ত্রাণ বিতরণ

বুধবার বিকেলে বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর এলাকায় পানিবন্দি ১০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। দুই সীমান্তের ইছামতি নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে এই অঞ্চলে পানি ওঠে, ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা পড়েন বিপাকে।
যে ত্রাণসামগ্রী দেওয়া হয়
ত্রাণ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় চাল, ডাল, আটা, তেল, লবণ ও চিনি। ক্ষুধা মেটানো ও দৈনন্দিন রান্নার খরচ কিছুটা কমাতে এই সহায়তার বাস্তব মূল্য আছে প্রবাসী পরিবারের কাছেও—দেশে থাকা আপনজনদের জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসে।
বিজিবির মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার বার্তা
খুলনা ২১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের পাশে বিজিবির এই সহায়তার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ কমানোই ছিল মূল লক্ষ্য।
প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
বন্যা বা জলাবদ্ধতার সময় সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ওপর। ফলে, বেনাপোল সীমান্তের এই ত্রাণ বিতরণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিবারের দৈনন্দিন জীবন ও মনোবল দুটোতেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রশ্ন— পানিবন্দি ১০০ পরিবার কী পেয়েছে?
উত্তর— চাল, ডাল, আটা, তেল, লবণ ও চিনি।
প্রশ্ন— পানি বাড়ার কারণ কী বলা হয়েছে?
উত্তর— ইছামতি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে এলাকায় প্লাবন হয়েছে।
প্রশ্ন— কোথায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়?
উত্তর— বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









