জনরায় উপেক্ষা করলে ক্ষমতায় থাকা যাবে না—এ কথা জোর দিয়ে বলেছেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বার্তাটা পরিষ্কার—গণরায়-ভিত্তিক রাজনীতি না হলে নিরাপত্তা, স্থিতি ও দৈনন্দিন স্বাভাবিকতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
বারিধারার সম্মেলনে লংমার্চের প্রস্তুতি

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারায় ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের কার্যালয়ের শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ছিলেন প্রধান অতিথি। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি মুহাম্মদ রেজাউল করিমের পরিচালনায় সেখানে মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চে অংশ নেয়ার আহ্বান
সম্মেলনে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর কেন্দ্র ঘোষিত লংমার্চে অংশগ্রহণ ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। পাশাপাশি রাজধানীবাসীকে শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চে অংশ নিতে আহ্বান জানানো হয়।
গণভোটের রায় ও বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিম উদ্দিন বলেন, ক্ষমতায় গিয়ে মানুষ সব ভুলে যায় কি না—এ প্রশ্নও তোলেন। তিনি জানান, জনগণের গণরায় সরকারকে মানতে হবে। একই সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যাকারীদের বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান ভূমিকা না রাখলে জনঅসন্তোষ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেন।
দেশ বাঁচাতে বিকল্প নেই—আরও আন্দোলনের বার্তা
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ বাঁচাতে সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। প্রয়োজনে ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে নামবে বলেও উল্লেখ করেন। আগামী দিনের সব আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা মহানগরীর জনশক্তি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।
সম্মেলনে কারা উপস্থিত ছিলেন
সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা ও ইয়াসিন আরাফাতসহ কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য হেমায়েত হোসেন, জিয়াউল হাসান, জামাল উদ্দিন, আতাউর রহমান সরকার এবং অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশ্নোত্তর
লংমার্চ কবে হবে?
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর।
লংমার্চের রুট কোথা থেকে কোথায়?
শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত।
সম্মেলনে কোন লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়?
কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









