
রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বয়স বিবেচনায় অনেকেই মনে করছেন, এটাই হয়তো পর্তুগাল তারকার শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে। তাই বুধবার রাতে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটিকে অনেকেই তার জাতীয় দলের জার্সিতে ঘরের মাঠে সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ হিসেবে দেখছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না, কারণ রোনালদো এখনো দারুণ ফিটনেস ধরে রেখেছেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি।
পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজও জানিয়েছেন, রোনালদোর পেশাদারিত্ব ও নিবেদন দলের জন্য উদাহরণ হয়ে আছে। মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমাদের অধিনায়ক যা করেন, সবকিছুতেই উদাহরণ সৃষ্টি করেন। জাতীয় দলকে সাহায্য করার জন্য তিনি দিনে ২৪ ঘণ্টাই নিজেকে উজাড় করে দেন।”
রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, “আমাদের অধিনায়কসহ কেউই এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন না। সামনে কী হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। চোটের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আসতে পারে, আবার এমন সিদ্ধান্তও হতে পারে যা খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।”
তিনি আরও বলেন, ‘এখন লক্ষ্য একটাই অনুশীলন- নিজের সেরাটা দেওয়া, মাঠে কৌশলগুলো বাস্তবায়ন এবং জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর গর্ব দেখানো। রোনালদো প্রতিদিন এ উদাহরণই তৈরি করেন। আগামীকাল আরও ভালো করার জন্য আজকে কাজে লাগানোই তার একমাত্র লক্ষ্য।’
৪১ বছর বয়সী রোনালদো পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক ম্যাচ (২২৭) ও সর্বাধিক গোলের (১৪৩) রেকর্ডের মালিক। ২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেক হওয়া এই তারকা এখনও জাতীয় দল থেকে অবসরের কোনো ইঙ্গিত দেননি।
রোনালদোকে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে। বিশ্বকাপের আগে এটিই পর্তুগালের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ।
মার্তিনেজ জানান, সব খেলোয়াড়কে খেলার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার, ‘আমাদের পরিকল্পনা হলো ১১টি পরিবর্তন করা এবং নিশ্চিত করা যে সবাই কিছু না কিছু সময় মাঠে খেলতে পারে। পাঁচ বা ছয়জন খেলোয়াড়ের জন্য এটি হবে জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ।’








