GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / খেলা / সাফে ঢাকা প্রস্তুত, নেপালের অনিশ্চয়তা

সাফে ঢাকা প্রস্তুত, নেপালের অনিশ্চয়তা

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে নতুনভাবে লাগানো মাঠের ঘাস ও ফুটবল প্রস্তুতি

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করতে ঢাকায় প্রস্তুতি এগোচ্ছে। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই একটি অনিশ্চয়তা ঘুরপাক খাচ্ছে—নেপালের অংশ নেওয়া নিয়েই।

১ আগস্ট ড্র, অপেক্ষা কতদিন নেপালের

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে নতুনভাবে লাগানো মাঠের ঘাস ও ফুটবল প্রস্তুতি

আগামী আসরের ড্র অনুষ্ঠানের কথা নির্ধারিত আছে ১ আগস্ট। সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন সূত্র বলছে, এই ড্র-এ নেপালকে রেখেই অনুষ্ঠান হবে। অর্থাৎ তালিকায় এখন নেপাল থাকছে—কিন্তু শর্তসাপেক্ষভাবে।

নেপালের সাসপেনশন সময়মতো প্রত্যাহার হলে হিমালয়ঘেরা দেশটি টুর্নামেন্টে খেলতে পারবে। এ জন্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপাল সময় পাবে। সময় পার হয়ে গেলে গ্রুপ পর্বের তালিকা বদলে তাদের বাদ দিয়ে পরবর্তী সূচি চূড়ান্ত করা হবে।

মাত্র ষষ্ঠ দল হলে ঢাকায় বসবে সাফ

মূল ঝুঁকিটাই হচ্ছে দলের সংখ্যা। সাসপেনশন নির্দিষ্ট সময়ে না উঠলে শেষ পর্যন্ত নেপাল বাদ পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তখন মাত্র ছয়টি দল নিয়ে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পনেরতম আসর হওয়ার পথ প্রশস্ত হতে পারে।

সাফের আগের সিদ্ধান্তও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। অতিথি দল রাখার পরিকল্পনা আগেই বাতিল হয়েছিল; ফলে এবারের আসরে অতিথি হিসেবে কোনো দল ঢুকছে না। তাই নির্ভর করতে হচ্ছে মূল অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অবস্থানের ওপর।

ঢাকা স্টেডিয়ামে ঘাস তুলে নতুন করে মাঠ

টুর্নামেন্টকে ঘিরে মাঠ প্রস্তুতিতেও কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে মাঠের ঘাস তুলে নতুন করে লাগানো হয়েছে। এরই মধ্যে মাঠ সবুজ হয়ে উঠেছে। নির্ধারিত সময় হাতে থাকায় সময়টা মাঠের পরিচর্যায় কাজে লাগানো যাবে বলে মনে করছে আয়োজকরা।

সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, প্রস্তুতি যেভাবে এগোচ্ছে তাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই পুরো কাজ শেষ হবে। ভেন্যু প্রস্তুতির নিয়মিত হালনাগাদও রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আরও একটি বিষয়—আগে টুর্নামেন্টের জন্য দুটি ভেন্যু রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত খেলা হবে শুধু ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামেই। অর্থাৎ সব মনোযোগ মাঠকেন্দ্রিক কার্যক্রমেই।

নেপাল থাকলে খেলবে, না হলে পরিকল্পনা আগেই

নেপাল প্রসঙ্গে কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেন, নেপালকে সামনে রেখেই পরিকল্পনা সাজানো। সাসপেনশন প্রত্যাহার হলে খেলবে—না হলে সাফের হাতে তখন বিকল্প থাকবে সীমিত। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়টাকেই এখন সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর ধরা হচ্ছে।

১৯৯৩ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতাটি এর আগে তিনবার বাংলাদেশ আয়োজন করেছে। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল আয়োজনকারী হিসেবে। এরপর ২০০৯ ও ২০১৮ সালেও দেশটি আয়োজক ছিল। তবে গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার সাফল্য নিয়মিত আসেনি। গত আসরে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠে কুয়েতের কাছে হেরেছিল।

এবার নতুন কোচ থমাস ডুলির অধীনে লাল-সবুজ জার্সির দল সাফ মিশনে নামবে। জুলাই-আগস্টের প্রস্তুতি পর্ব শেষে সেপ্টেম্বরে একটি চারজাতি টুর্নামেন্টেরও পরিকল্পনা আছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। সাফের আগে ভালো প্রস্তুতির দিকেই নজর তপু-রাকিবদের।

কয়েকটি প্রশ্ন

নেপালের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে কখন?
সাসপেনশন প্রত্যাহারের জন্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় ধরা হয়েছে। সময় পার হলে নেপাল বাদ দিয়ে ফিকশ্চার চূড়ান্ত হবে।

ড্র অনুষ্ঠান কোথায়?
ড্র অনুষ্ঠান হবে ১ আগস্ট। নেপালকে রেখেই ড্র করার কথা বলা হয়েছে।

ভেন্যু কতগুলো থাকবে?
শেষ পর্যন্ত খেলা হবে শুধু ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামেই।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons