স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাণে সুযোগ খুঁজছেন? এবার অ্যাডফা শর্ট ফেস্ট-সিজন একের মাধ্যমে পাচ্ছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান–মোট ২৫ লাখ টাকা প্রোডাকশন ফান্ড। পাঁচটি প্রকল্প বাছাই করে প্রতিটিকে অর্থায়ন দেবে অ্যাসেন কমিউনিকেশন।
পাঁচ প্রকল্প, মোট ২৫ লাখ টাকা

আয়োজকদের উদ্যোগে পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রকল্প নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত প্রতিটি প্রকল্পের নির্মাণে অর্থায়ন করা হবে। ফলে আগ্রহী নির্মাতাদের স্বপ্ন এবার শুধু কাগজে থাকবে না—পর্দায় আনার পথ খুলবে।
অ্যাডফা-অ্যাসেন যৌথ উদ্যোগে নতুন কণ্ঠ
অ্যাডফার নেতৃত্বে এবং অ্যাসেন কমিউনিকেশনের সহায়তায় এই আয়োজনের লক্ষ্য মূলত কমিউনিটির নির্মাতাদের মৌলিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের সুযোগ তৈরি করা। গল্প ও প্রতিভা থাকলেও অনেক সময় বাস্তব অর্থায়ন জোগাড় করা কঠিন—সেই জায়গাতেই উদ্যোগটি দাঁড় করাতে চাইছে আয়োজকরা।
যোগ্যতা ও শর্ত—কেমন গল্প চাই
অ্যাডফা কমিউনিটির যোগ্য নির্মাতারা এককভাবে অথবা দলগতভাবে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রস্তাবিত চলচ্চিত্র অবশ্যই কাহিনিচিত্র হতে হবে। দৈর্ঘ্য রাখা হয়েছে পাঁচ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে।
ভাষার ক্ষেত্রেও রয়েছে স্বাধীনতা। বাংলা, ইংরেজি কিংবা বাংলাদেশের যেকোনো আঞ্চলিক ভাষায় গল্প জমা দেওয়া যাবে। ঘরানা বা বিষয় নিয়েও নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা নেই। তাই নির্মাতারা নিজেদের পছন্দ ও সৃজনশীলতা অনুযায়ী গল্প নির্বাচন করতে পারবেন।
আবেদনের নথি ও জমা দেওয়ার সময়
আবেদন করতে হবে একটি পিডিএফ ফাইলে। তাতে চলচ্চিত্রের শিরোনাম, সর্বোচ্চ ৫০ শব্দের লগলাইন, এক হাজার শব্দের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ গল্প বা সিনপসিস, সর্বোচ্চ ৩০০ শব্দের পরিচালকের বক্তব্য, ঘরানা, সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য এবং আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। চাইলে ভিজ্যুয়াল রেফারেন্স কিংবা নির্মাতার পূর্ববর্তী কাজের লিংকও যুক্ত করা যাবে।
প্রকল্প বাছাইয়ের সময় গুরুত্ব দেওয়া হবে গল্পের মৌলিকতা, নির্মাতার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, গল্প বলার শক্তি এবং সিনেমাটিক সম্ভাবনা—এভাবে বাজেট ও সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের সক্ষমতাও দেখা হবে। নির্বাচিত নির্মাতারা শুধু আর্থিক সহায়তাই পাবেন না; অ্যাডফার মেন্টরশিপ ও ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগও থাকছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী আগ্রহী নির্মাতাদের আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে।
প্রবাসী নির্মাতাদের জন্য কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশের বাইরে থাকলেও যারা গল্প লেখা, চিত্রনাট্য, পরিচালনা বা প্রযোজনা—সব মিলিয়ে চলচ্চিত্র ভাবেন, তাদের জন্য এই ধরনের অনুদান মানে বাস্তব উৎপাদনের সুযোগ। অর্থায়ন আর মেন্টরশিপ একসঙ্গে থাকায় প্রকল্পগুলো পরিপক্ব হয়ে পর্দায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়ে।
কয়েকটি প্রশ্ন
কাজ জমা দিতে কী ধরনের চলচ্চিত্র লাগবে?
কাহিনিচিত্র হতে হবে। দৈর্ঘ্য পাঁচ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে।
আবেদনে ভাষা কি নির্দিষ্ট?
না। বাংলা, ইংরেজি বা বাংলাদেশের যেকোনো আঞ্চলিক ভাষায় জমা দেওয়া যাবে।
মোট কতটি প্রকল্প নির্বাচিত হবে?
পাঁচটি প্রকল্প নির্বাচন করা হবে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: Jagonews24.com









