‘এজেন্ট কিম রিঅ্যাকটিভেটেড’-এর মেরুদণ্ডে আছে এক বাবার অটল প্রতিজ্ঞা—মেয়েকে বাঁচাতে প্রয়োজন হলে নিজের অতীতও জাগাতে হয়। ১০ পর্বের অ্যাকশন-থ্রিলার সিরিজটি তাই শুধু বন্দুক আর ধাওয়া নয়; আবেগ আর সিদ্ধান্তের সংঘাতও সমানভাবে চলে।
একজন অফিসকর্মীর মুখোশের ভেতর অন্য গল্প

কিম দো-হিয়ন একজন ব্যাংকের ব্যবস্থাপক এবং একক বাবা। আশপাশের মানুষ তাকে দেখে শান্ত, ভদ্র আর ঝামেলা এড়িয়ে চলা সাধারণ অফিসকর্মী হিসেবেই। কিন্তু সত্যটা আলাদা। কারও অজানা—তিনি একসময় দেশের অন্যতম দক্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তাও ছিলেন।
স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভাঙে কীভাবে
প্রয়াত স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কারণে তিনি সেই অন্ধকার জগত থেকে সরে এসেছিলেন। প্রতিজ্ঞা ছিল—আর ফিরবেন না। তবু মেয়ের নিরাপত্তাই শেষ কথা হয়ে ওঠে। স্কুলে হয়রানির পর মিন-জিকে অপহরণের ঘটনায় প্রতিশ্রুতি টিকে থাকে না। কিমকে আবারও ফিরে যেতে হয় সেই জগতে, যেটাকে তিনি ভুলে থাকতে চেয়েছিলেন।
মরিয়া লড়াইয়ের সঙ্গে পাল্লা দেয় গোয়েন্দা অভিযানের টান
মিন-জিকে খুঁজতে গিয়ে কিমের কর্মকাণ্ড নজরে পড়ে ন্যাশনাল স্পেশাল মিশনস ব্যুরোর। সামনে আসে ক্ষমতাবান ব্যবসায়ী জু কাং-চান এবং উত্তর কোরিয়ার এজেন্ট কাং সিয়ং। দুজনের উপস্থিতি কিমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আর একই সঙ্গে গল্পটা ছুটতে থাকে উত্তেজনাময় দিকে।
একলা নন—ভিন্ন দক্ষতার টিম গড়ে ওঠে
মেয়েকে উদ্ধারের অভিযানে কিম একা থাকেন না। সঙ্গে যোগ দেন দুই সাবেক সহকর্মী ও সহযোদ্ধা—সিয়ং হান-সু এবং পার্ক জিন-চল। একজন দ্রুত ও কৌশলী, অন্যজন শক্তির ওপর বেশি নির্ভরশীল। দো-হিয়নের ঠান্ডা মাথার হিসাব আর অন্য দুজনের ভিন্ন সক্ষমতা মিলিয়ে তৈরি হয় টিমওয়ার্ক, যেখানে লক্ষ্য একটাই—মিন-জিকে উদ্ধার।
কেন প্রবাসী দর্শকের জন্য সিরিজটি টানবে
বাস্তব জীবনে নিরাপত্তা আর পরিবারের মানুষের জন্য চিন্তা—এ দুই জায়গায় প্রবাসীদের অনুভূতি চিরকালই কাছের। তাই কিম দো-হিয়নের মরিয়া লড়াইয়ের কেন্দ্রটা যখন ‘মেয়ে’, তখন অ্যাকশন যতই তীব্র হোক, আবেগের জায়গা দর্শকের মনেও বসে যায়।
কৌতূহল জাগতে থাকে—প্রতিজ্ঞা, গোপন অতীত, আর বাধার জটলা ভেদ করে শেষ পর্যন্ত কিম কতদূর যেতে পারেন। কারণ সিরিজটি স্পষ্ট করেই বলছে, মেয়েকে বাঁচাতে চাইলে শুধু শক্তি নয়—সিদ্ধান্তের সাহসও লাগে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
কী ধরনের গল্প এটি? অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার, যেখানে প্রতিশোধের সঙ্গে পারিবারিক আবেগ জড়িয়ে আছে।
মূল চরিত্র কে? ব্যাংকের ব্যবস্থাপক কিম দো-হিয়ন, যিনি একক বাবা হিসেবে মেয়েকে উদ্ধার করতে উঠে পড়েন।
কেন দেখবেন? গোপন অতীত, টিমওয়ার্ক এবং ধারাবাহিক টান—সব মিলিয়ে পর্ব থেকে পর্বে টেনে নেয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









