কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ অন্তত ৯ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে নিউ মার্কেটের কাছে এ ঘটনা ঘটে, যখন বেশির ভাগ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।
রাত ২টার দিকে আগুন, দ্রুত ছড়ায়
আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চারটি দমকলের গাড়ি। আগুনের তীব্রতা ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে কয়েকজন হোটেলের ভেতরে আটকা পড়ে। পরে দমকলকর্মীরা অভিযান চালিয়ে আটকে পড়া অতিথিদের বের করে আনার চেষ্টা করেন।
এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সন্দেহ
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হোটেলের একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। ঘটনা পরবর্তী সময়ে হোটেল ও আশপাশের এলাকায় উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমও চলে।
আহত হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে
নিহতদের পাশাপাশি আরও কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ করে দমকল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট দলের সদস্যরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
দুই দিন আগেই আরেকটি হোটেল অগ্নিকাণ্ড
এ ঘটনার মাত্র দুই দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে আরেকটি হোটেলে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা হয়েছিল। সেখানে অন্তত ৮ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হন বলে জানা যায়। আগুনটি একটি পাঁচতলা হোটেলের নিচতলায় ভোরের দিকে ছড়ায় এবং তখনও অধিকাংশ অতিথি ঘুমের মধ্যে ছিলেন।
কলকাতার এই অগ্নিকাণ্ডের খবর প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও তীব্র উদ্বেগ তৈরি করেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি, দ্রুত উদ্ধার ও ভবনের ব্যবস্থাপনা—সব দিকই প্রশ্নের মুখে।
প্রশ্ন-উত্তর
আগুন লাগার সময় কতটা রাত ছিল?
স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে আগুন লাগে।
আগুনের কারণ সম্পর্কে কী ধারণা করা হচ্ছে?
প্রাথমিকভাবে এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সন্দেহ করা হচ্ছে।
উদ্ধার কাজে কারা যুক্ত ছিল?
দমকলের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও উদ্ধারকাজে যোগ দেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









