দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’-এর দেওয়া ৪১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই বাংলাদেশ ‘এ’ বিপদে পড়ে। ৭০ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও হার মানেনি দলটি। শেষদিনে মাহিদুল ইসলামের ৪৮ রানে (২০৮ বলে) ভর করে ম্যাচ ড্র নিশ্চিত হয়।
শেষদিনে লড়াইটা কোন জায়গায় বদলাল

এক সময় মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ ‘এ’ ইনিংস ব্যবধানে হেরে যাবে। প্রথম ইনিংসেই তারা পিছিয়ে পড়ে ২৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। তবে ফলো অন না করানোর সিদ্ধান্তের পরও চাপটা বড়ই থাকে। ৭০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সংকট তৈরি হওয়ার পরই ম্যাচের ছবি পাল্টাতে শুরু করে।
মাঠে বড় অবদান মাহিদুল-আমিনুল-নাঈমের
সংকটের মাঝেই দলের হাল ধরেন মাহিদুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম। দুজন মিলে ২০৫ বলে ১০৫ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামলে নেন। আমিনুল ৭৪ রান করে আউট হলেও সেই ভিত্তি নষ্ট হতে দেয়নি দল। এরপর মাহিদুলের সঙ্গী হন নাঈম হাসান।
চতুর্থ দিনের বাকি সময়টা দুজন মিলে পার করে দেন। মাহিদুল ২০৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। নাঈম ৭৯ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। এই অবিচল ব্যাটিংই শেষ পর্যন্ত চার দিনের ম্যাচটিকে ড্রতে নিয়ে যায়।
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ বড় রান তুলে চাপ বাড়ায়
পচেফস্ট্রুমে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ মোদেরি লিথেকো ও মিচেল ভ্যান বুয়েনের সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ৫১৯ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। বাংলাদেশের বোলিংয়ে ইকবাল হোসেন ছিলেন সবচেয়ে কার্যকর—১৬ ওভারে ১ মেডেন দিয়ে ৭৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৮০ রানে পিছিয়ে থাকলেও, দক্ষিণ আফ্রিকা ফলো অন না করায় দ্বিতীয় ইনিংসে তারা ব্যাট করতে নামে। তবে শেষ কথা হয় তাড়া শেষে। লক্ষ্য বড় হওয়ায় উইকেট পড়লেও শেষ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে যায় বাংলাদেশ ‘এ’।
প্রবাসী ভক্তদের জন্য ম্যাচের মানে কী
প্রবাসে যারা বাংলাদেশ ক্রিকেটের খবর রাখেন, তাদের জন্য এই ম্যাচ ড্র বড় বার্তাই দেয়। বিপদে পড়েও হার না মেনে শেষদিন পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা যে টিমের ভেতর আছে—এই ইনিংস সেটাই দেখিয়েছে।
পোস্টম্যাচে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
বাংলাদেশ ‘এ’ ম্যাচ ড্র করল কীভাবে?
শেষদিনে মাহিদুল, আমিনুল ও নাঈমের ব্যাটিং ধরে রেখে।
লক্ষ্য কত ছিল?
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ ৪১০ রানের লক্ষ্য দেয়।
মাহিদুল কত বলে কত রান করেন?
২০৮ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মাহিদুল।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com








