GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / খেলাপি ছাড়িয়ে এস আলমের এলসিতে ৩২ লাখ ডলার ছাড় অনুমতি

খেলাপি ছাড়িয়ে এস আলমের এলসিতে ৩২ লাখ ডলার ছাড় অনুমতি

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন ও এলসি সংক্রান্ত নথি

বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ যাতে হঠাৎ থেমে না যায়—সেই বিবেচনায় খেলাপি ঋণের বাধাও শিথিল করে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের এলসিতে প্রায় ৩২ লাখ ডলার ছাড়ের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে নতুন এলসি খোলার অনুমোদনও এসেছে।

৩২ লাখ ডলার ছাড়ের প্রজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন ও এলসি সংক্রান্ত নথি

বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২। নির্দেশনাটি দেশের সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে। আগে গত রোববার এসএস পাওয়ার-১-এর নামে এলসি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রায় সিন্ডিকেটেড ঋণের অবশিষ্ট ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ ডলার ছাড় করা যাবে। একই সঙ্গে নতুন এলসি খোলারও অনুমোদন দেওয়া হয়।

কোন আইনের ভিত্তিতে ছাড়

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭ কক(৩) ধারার বিধান কার্যকর হবে না।

শর্ত—বাংলাদেশ ব্যাংকের দায় থাকবে না

বাংলাদেশ ব্যাংক একই সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত দিয়েছে। এতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ঋণসুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না। ভবিষ্যতে এই ঋণের বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে কোনো আর্থিক সহায়তাও চাইতে পারবে না রূপালী ব্যাংক।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে বিশেষ বিবেচনা

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এসএস পাওয়ার-১-এর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এখন চালু এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। কাঁচামাল বা কয়লার সংকট হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খেলাপি থাকার বিষয়টি থাকলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এলাকায় কয়লাভিত্তিক এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছে এস আলম গ্রুপ ও চীনের দুটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে। কেন্দ্রটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে।

এটা প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে এলসি ছাড়ের সিদ্ধান্ত মানে জ্বালানি-সংক্রান্ত কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকার সম্ভাবনা। প্রবাসী পরিবারগুলোর জন্যও এর প্রভাব পড়ে—বিদ্যুতের স্থিতি ও অর্থনীতির গতি ঠিক থাকলে দৈনন্দিন খরচ ও কর্মপরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

সংক্ষেপে জেনে নিন

  • কী অনুমতি দেওয়া হয়েছে? এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের এলসির মাধ্যমে অবশিষ্ট প্রায় ৩২ লাখ ডলার ছাড় ও নতুন এলসি খোলার অনুমোদন।
  • কোন ব্যাংকের মাধ্যমে? রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে।
  • কেন ব্যতিক্রম করা হলো? বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সচল রাখতে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons