চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঘিরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষের জেরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধ তৈরি হয়ে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সীতাকুণ্ড পৌরসভা গেট এলাকায় বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী ও যুবদল নেতা কাজী সালাহউদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঘিরে দুই পক্ষ আলাদা স্থানে অবস্থান নেয়।
বিকেল ৩টার দিকে আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা এলকে সিদ্দিকী স্কয়ারে এবং কাজী সালাহউদ্দিনের অনুসারীরা মুনস্টার কমিউনিটি সেন্টারে জড়ো হন।
পরে দুই পক্ষ মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় পৌরসদরে মুখোমুখি হলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় লাঠি, বাঁশ ও লোহার রড নিয়ে হামলা হয়।
একপর্যায়ে ৫-৬টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এ সময় একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিসহ কয়েকজন মারধরের শিকার হন বলে স্থানীয়রা জানান।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ দুই পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে নিজ নিজ কর্মসূচিস্থলে পাঠিয়ে দেয়।
সংঘর্ষের পর সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ও পৌরসদর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করা হয়।
এর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি মাহিনুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।
তিনি জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং বর্তমানে উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছে।
উল্লেখ্য, আসলাম চৌধুরী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং কাজী সালাহউদ্দিন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি।

