ইরান যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।
এ অবস্থায় তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
চুক্তিতে অন্য দেশগুলোকে যুক্ত করার রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
সোমবার ইস্তাম্বুলে চুক্তির আওতায় প্রথম বৈঠকের পর তিনি এসব কথা বলেন।
ফিদান বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে অঞ্চলে নতুন নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য আঞ্চলিক দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।
ইস্তাম্বুলের চিরাগান প্রাসাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বৈঠকে তিন দেশের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র নীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ফিদান জানান, অন্য দেশগুলোর জন্যও এই জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
তবে নতুন সদস্যদের যোগদানের শর্ত, প্রক্রিয়া ও মানদণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে।
তিনি বলেন, সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়েই মক্কা প্রতিরক্ষা জোট গঠন করা হয়েছে।
তবে এর আগে জোটের ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করা জরুরি বলেও জানান তিনি।
ফিদান বলেন, তিন দেশ এমন একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তুলতে একমত হয়েছে, যা আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।
সময় অনুযায়ী এই জোট আরও সম্প্রসারিত হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্য নিয়েও মন্তব্য করেছেন ফিদান।
তিনি বলেন, নেতানিয়াহু ও তার সমর্থকদের বক্তব্য শুধু তুরস্কের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।
ফিদান বলেন, বিষয়টিকে শুধু তুরস্কের সমস্যা হিসেবে দেখা ভুল হবে।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ধরনের হুমকি মোকাবিলায় সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।
