জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সামনে রেখে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাউবি উপাচার্য। প্রবাসী পাঠকদের জন্যও এই বার্তা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের শাসন-ব্যবস্থা স্থির হলে ভবিষ্যৎও স্বচ্ছ ও নিরাপদ পথে এগোয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সামনে

উপাচার্য বলেন, গণআন্দোলনের যে চেতনা তৈরি হয়েছে, তা ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। লক্ষ্য থাকবে মানুষের অধিকার, মত প্রকাশের সুযোগ এবং সিদ্ধান্তে ন্যায্যতার সংস্কৃতি জোরদার করা।
গণতান্ত্রিক পথেই অগ্রগতি
তিনি জোর দেন, গণতন্ত্র কেবল একটি ধারণা নয়—এটা দৈনন্দিন জীবনের বাস্তবতা হতে হবে। প্রশাসন, প্রতিষ্ঠান ও সমাজ—সবখানেই জবাবদিহি ও অংশগ্রহণ যেন নিশ্চিত থাকে, সেটাই মূল ভাবনা।
বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার আহ্বান
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানান তিনি। শিক্ষা, সুযোগ, অধিকার—সব ক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করার কথা উঠে আসে। এতে করে কারও পরিচয় বা অবস্থানকে কেন্দ্র করে যেন কারও সুযোগ কমে না যায়, সেটিই ছিল বার্তার সুর।
প্রবাসীদের জীবনেও প্রভাব
বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতি ও মানবিক মূল্যবোধ শক্ত হলে প্রবাসীদের স্বার্থও রক্ষা পায়। দেশে বিনিয়োগ, ভিসা-সংক্রান্ত স্থিতি, কর্মসংস্থানের পরিবেশ—সবকিছুরই ভিত্তি তৈরি হয় শাসনব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা থেকে।
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্বের এই বক্তব্য ক্যাম্পাসের বাইরে দেশের সামগ্রিক লক্ষ্য নিয়েও ভাবার জায়গা তৈরি করে। গণতন্ত্র ও সমতার কথা সামনে আনা মানে ভবিষ্যতের পথচলায় নীতিগত প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
প্রশ্নোত্তর
বাউবি উপাচার্য কী বিষয়ে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন?
তিনি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
বার্তাটির সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোগ কী?
আন্দোলনের চেতনাকে পথদর্শক হিসেবে ধরে এগোনোর কথা এসেছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









