GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / হকার পুনর্বাসন উচ্ছেদে রেলের সংঘর্ষ, নাসিক ক্ষুব্ধ

হকার পুনর্বাসন উচ্ছেদে রেলের সংঘর্ষ, নাসিক ক্ষুব্ধ

ডাবল রেললাইন প্রকল্প এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ও হকার পুনর্বাসন সংক্রান্ত দৃশ্য

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডাবল রেললাইন প্রকল্পের উচ্ছেদ অভিযানে হকার পুনর্বাসনের কাজের জায়গায় ইট তুলে ফেলাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ঘটনাটি রেলপথের নিরাপত্তা ও নগরের পুনর্বাসন—দুই উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবই সামনে এনেছে।

চাষাঢ়া থেকে দুই নম্বর রেলগেট এলাকায় উচ্ছেদ

ডাবল রেললাইন প্রকল্প এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ও হকার পুনর্বাসন সংক্রান্ত দৃশ্য

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথের চাষাঢ়া থেকে দুই নম্বর রেলগেট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম রউফের নেতৃত্বে রেলের জমির দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেকু দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

হকার পুনর্বাসনের ইট তুলে ফেলায় উত্তেজনা

উচ্ছেদ কর্মীরা একই সঙ্গে রেলের জমিতে সিটি করপোরেশনের চলমান হকার পুনর্বাসনের কাজেও বাধা দেন। সেখানে বিছানো ইট তুলে ফেললে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নজরে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

ইটগুলো তুলে ফেলায় তিনি রেলওয়ে কর্মকর্তা সেলিম রউফের ওপর ক্ষুব্ধ হন। এরপর দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

নাসিক প্রশাসকের অভিযোগ ও প্রশ্ন

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, তার দৃষ্টিতে রেলওয়ের জায়গা দখল ও সংশ্লিষ্ট মার্কেটের বিষয়ে রেলওয়ে পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেই। উচ্ছেদ অভিযানে হঠাৎ ভেকু লাগিয়ে সব গুঁড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি তিনি প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, জায়গার প্রয়োজন হলে আগে কথা বলে ও পরামর্শ করে সমাধান করা উচিত ছিল।

রেলওয়ের যুক্তি: প্রকল্পের অ্যালাইনমেন্ট

এর জবাবে রেলওয়ের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম রউফ জানান, ডাবল রেললাইন নির্মাণের কাজে প্রকল্পের অ্যালাইনমেন্টের ওপর কারও রাস্তা সোলিং বা ঘর তুলে রাখার কারণে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। তাই রেলওয়ে আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। পরে প্রশাসক জানান, হকার পুনর্বাসনের জন্য বিছানো ইটগুলো আর না তুলে রেলওয়ের উচ্ছেদ চলমান রাখা হবে।

প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

এই ধরনের উচ্ছেদ ও পুনর্বাসন সিদ্ধান্ত সরাসরি কর্মসংস্থান ও দৈনন্দিন জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলে। প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও স্বার্থ থাকে—কারণ শহরের অবকাঠামো উন্নয়ন ঠিকমতো হলে স্থানীয় অর্থনীতি সচল থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে মানুষের নিরাপত্তা ও স্থায়ী বসতির সম্ভাবনা বাড়ে।

প্রশ্নোত্তর

কোন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান হয়? চাষাঢ়া থেকে দুই নম্বর রেলগেট এলাকায়।

হকার পুনর্বাসনে কী সমস্যা হয়? পুনর্বাসনের কাজের জন্য বিছানো ইট তুলে ফেলা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়।

এখন কী সিদ্ধান্ত হলো? প্রশাসকের পক্ষ থেকে বলা হয়, হকার পুনর্বাসনের ইট আর না তোলার বিষয়ে নির্দেশনা থাকবে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons