GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / রাজনীতি / জুলাই শহীদ পরিবার মর্যাদা সরকারের দায়িত্ব

জুলাই শহীদ পরিবার মর্যাদা সরকারের দায়িত্ব

জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সংবর্ধনা আলোচনা সভার দৃশ্য

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মাহুতি দেওয়া শহীদদের পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র দায়িত্ব—বুধবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় এমনই কথা বলেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শহীদ পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণই প্রথম দায়িত্ব

জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সংবর্ধনা আলোচনা সভার দৃশ্য

তিনি বলেন, এই সরকারের প্রধান কাজ হলো জুলাইয়ে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। এটিই সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন।

চোখের দৃষ্টি ও অঙ্গ হারানোদের চিকিৎসা সরকারের দায়িত্ব

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, যারা আহত হয়েছেন, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন কিংবা অঙ্গ হারিয়েছেন—তাদের সুস্থ করে তোলা সরকারের দায়িত্ব। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি উপযুক্ত মর্যাদা না মেলে এবং সামান্য চাওয়া-পাওয়ার জন্যও মন্ত্রীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়, তবে তা জাতির জন্য লজ্জার।

যুবক জুলাই যোদ্ধার অভিজ্ঞতায় অভিভূত রাষ্ট্রপতি

অনুষ্ঠানে একজন মাকে তার অন্ধ ছেলেকে নিয়ে উপস্থিত হতে দেখে তিনি নিজেকে অভিভূত বলে জানান। তার ভাষায়, যে যুবক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চোখ হারিয়েছে, তার জন্য যথার্থ সম্মান নিশ্চিত করা দরকার।

যোদ্ধাদের আশ্বাস, সরকার সম্মান দেবে

জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মন খারাপ না করতে। এই সরকারের কাছ থেকে তারা সম্মান পাবে। তাদের কল্যাণে সরকারের সামর্থ্য অনুযায়ী সবকিছু উজাড় করে দেওয়ার কথাও জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, সরকার ভুল করলে জনগণ তাদের শুধরে দেবেন।

গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য স্মরণ

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস জাতির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় দিন। গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় ছাত্র-জনতার বিজয়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

জুলাই শহীদ পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ ও আহতদের চিকিৎসা- পুনর্বাসনের কথা যখন রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়, তখন এটি শুধু অতীতের মর্যাদার বিষয় নয়—প্রতিবছর দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করে।

প্রশ্ন-উত্তর

১) আলোচনায় সরকারের দায়িত্ব সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
জুলাই শহীদ পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলা হয়েছে।

২) অনুষ্ঠানটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে।

৩) জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে কী আশ্বাস দেওয়া হয়?
সম্মান পাওয়ার কথা বলে মন খারাপ না করার অনুরোধ করা হয়।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons