প্যারাসেইলিংয়ে পর্যটক সমুদ্রে পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এতে কক্সবাজারে ভ্রমণ করতে গিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা নিয়ে নতুন করে জবাব খোঁজার সুযোগ তৈরি হলো।
কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আত্মগোপন

মামলার পর ঢাকার মিরপুর এলাকায় আত্মগোপনে থাকা ফরিদকে র্যাব-৪ এর সহযোগিতায় র্যাব-১৫ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেন। র্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে, মামলার ছয়দিনের মাথায় তাকে ধরা সম্ভব হয়েছে।
কীভাবে গ্রেফতার অভিযান
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ আগস্ট রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঢাকা মহানগরীর মিরপুর মডেল থানাধীন এক এলাকায় র্যাব-১৫ ও র্যাব-৪ যৌথ অভিযানে তাকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত ফরিদকে পরে আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানে হস্তান্তরের কথাও বলা হয়েছে।
ঘটনার পটভূমি
গত ১ আগস্ট দুপুর দুইটার দিকে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের দরিয়ানগরে পর্যটককে বহন করা প্যারাসেইলিংয়ে উড্ডয়নের সময় একটি নিরাপত্তাজনিত অবহেলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী উড্ডয়ন অবস্থায় প্যারাসেইলিংয়ের রশি ছিঁড়ে সমুদ্রে পড়ে যান খুলনা থেকে আসা এক পর্যটক।
তাৎক্ষণিক উদ্ধার ব্যবস্থা না থাকায় পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বোন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন।
কেন এই গ্রেফতার প্রবাসীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশের পর্যটন এলাকায় কাজ করা, ভ্রমণে যাওয়া বা পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অনেক প্রবাসীই প্যারাসেইলিংসহ নানা বিনোদনে ঝুঁকি দেখেন। এমন ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত ধরতে পারা মানে ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচারের পথ খোলা, একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ ভ্রমণে নিরাপত্তা জোরদারের চাপ তৈরি হওয়া।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার এড়াতে আসামিরা ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে গেলে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতসহ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কথাও বলা হয়েছে।
সর্বশেষ পরিস্থিতি
গ্রেফতারকৃত ফরিদকে কেন্দ্র করে মামলার পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া চলবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন র্যাবের কর্মকর্তারা।
প্রশ্ন-উত্তর
প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় কে নিহত হন?
খুলনা থেকে আসা এক পর্যটক সমুদ্রে পড়ে যান এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রধান অভিযুক্তকে কোথা থেকে গ্রেফতার করা হলো?
ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলাটি কোন থানায় করা হয়?
কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি করা হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









