বিমানবন্দরের বাইরের গোলচত্বর এলাকায় গাড়ি তল্লাশির সময় চালক হঠাৎ গাড়ি ফেলে পালিয়ে যান। এরপর কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা ওই গাড়ি থেকে বের করেন কোটি টাকার সোনা, সঙ্গে মোবাইল, টাকা ও ব্যাংকের কার্ডও।
গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি, চালক উধাও

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরের গোলচত্বর এলাকায় একটি গাড়ি তল্লাশির জন্য থামানো হয়। এই সময় গাড়িচালক গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যান।
যা উদ্ধার হলো—সোনাসহ ফোন-কার্ড
গোলচত্বরে উপস্থিত গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সহযোগিতায় এয়ারফ্রেইট সার্কেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গাড়িটিতে তল্লাশি চালান। ওই সময় ১৪টি সোনার বার ও ১২টি সোনার পাত উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া পাওয়া যায় তিনটি মোবাইল ফোন—এর মধ্যে একটি নতুন আইফোন ১৭ প্রো এবং দুটি ব্যবহৃত মোবাইল। উদ্ধার হয় ১ লাখ ৭ হাজার ৫৮৫ টাকা, একটি ব্যবহৃত ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন ব্যাংকের আটটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড।
২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধতা, মূল্যও নির্ধারণ
কাস্টম হাউজ ঢাকার সোনা পরীক্ষার যন্ত্রে সোনার বিশুদ্ধতা যাচাই করে ২৪ ক্যারেট পাওয়া যায়। মোট ১ হাজার ৮১২ গ্রাম সোনা উদ্ধার হয়েছে। এর আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ৮৯২ টাকা ৪৮ পয়সা।
মামলার কার্যক্রম চলছে
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর আরও জানায়, গাড়ি থেকে দুটি ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক জিনিসও উদ্ধার করা হয়েছে। চালকের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
প্রবাসীরা টাকা-পণ্য পারাপারের ঝুঁকি সম্পর্কে সবসময় সতর্ক থাকেন। বিমানবন্দরের মতো জায়গায় অবৈধভাবে সোনা বহনের ঘটনা সামনে আসায় চাকরি, পারিবারিক নিরাপত্তা ও বৈধ পথে অর্থ আদান-প্রদানের গুরুত্ব ফের মনে করিয়ে দেয়।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
চালক কেন পালালেন? তল্লাশির মুহূর্তে গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যাওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে।
সোনার পরিমাণ কত? ১ হাজার ৮১২ গ্রাম এবং বিশুদ্ধতা ২৪ ক্যারেট।
মামলা হবে কি? গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলার কার্যক্রম চলমান।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









