GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আন্তর্জাতিক / এডিবি সহযোগিতা বাড়াতে মন্ত্রীর আহ্বান

এডিবি সহযোগিতা বাড়াতে মন্ত্রীর আহ্বান

জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতীকী দৃশ্য

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় জলবায়ু সহযোগিতা বাড়াতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)–এর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বাংলাদেশের জীবন-জীবিকা ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এই সহযোগিতা কাজে লাগাতে চায় সরকার।

সৌজন্য সাক্ষাতে অগ্রাধিকার ঠিক করার তাগিদ

জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতীকী দৃশ্য

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া) ইংমিং ইয়াংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী জানান, জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন–দুটো ক্ষেত্রেই কাজ জোরদার করা জরুরি। তিনি বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগীদের পর্যাপ্ত, সহজলভ্য ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন প্রয়োজন। আর সে অর্থ কার্যকর করতে নিজেদের অগ্রাধিকার আগে নির্ধারণ করার কথাও উঠে আসে।

যেসব খাতে সহায়তা বাড়ানোর কথা

আলোচনায় বাংলাদেশ ও এডিবির দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্ব দেওয়া হয়—জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন, জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বায়ু ও প্লাস্টিকদূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং পরিবেশসম্মত নগর ও অবকাঠামো উন্নয়নে।

বাংলাদেশের ঝুঁকি ও সরকারের লক্ষ্য

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী না হলেও এর ক্ষতির মুখে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম এটি। তাই মানুষের জীবন, জীবিকা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় সরকার অভিযোজন ও প্রশমন—দুই ধরনের কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ুসহিষ্ণু উন্নয়নে এডিবির সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানান তিনি।

এডিবির আগ্রহ, নতুন কর্মসূচির সম্ভাবনা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং। তিনি পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ুসহিষ্ণু অবকাঠামো, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। চলমান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি নতুন প্রকল্প ও কর্মসূচি নেওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনা হয়। নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন সহযোগিতা এগিয়ে নিতে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।

সচিবালয়ে সাক্ষাতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ এবং এডিবির সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাসীদের জন্য কী মানে

বাংলাদেশে জলবায়ু ঝুঁকি বাড়লে নানাভাবে প্রভাব পড়ে—কৃষি, কর্মসংস্থান, শহরের সেবা থেকে শুরু করে পরিবারের আয়-উপার্জন পর্যন্ত। পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন নিশ্চিত হলে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের গতি বাড়তে পারে—যা দেশের স্থিতিশীলতাকেও সহায়তা করে।

সংক্ষেপে প্রশ্নোত্তর

এডিবির সঙ্গে সাক্ষাতে মূল বিষয় কী ছিল? জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানো।

কী কী খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে? অভিযোজন-প্রশমন, বন-বৈচিত্র্য, বায়ু ও প্লাস্টিকদূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পরিবেশসম্মত অবকাঠামো।

মন্ত্রী কেন অর্থায়নের কথা বলেছেন? উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন দরকার।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons