ফ্যাসিবাদ রুখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএমইউ উপাচার্য। সমাজজুড়ে বিভাজনের বদলে ঐক্যের বার্তাই এখানে সবচেয়ে বড় বার্তা।
ঐক্যই শক্তি—ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের আহ্বান

বিএমইউ উপাচার্য বলেন, ফ্যাসিবাদী চিন্তা ও প্রবণতা মোকাবিলায় সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। তার বক্তব্যের মূল কথা—অসহনতা নয়, সহাবস্থান ও দায়িত্বশীল অবস্থানই গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামাজিক বার্তা
বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল নেতৃত্বের কণ্ঠে এমন আহ্বান প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরেও নাগরিক দায়বদ্ধতার দিকটি সামনে আনে। সমাজের নানা স্তরে যে বৈষম্য ও চাপ তৈরি হয়, তা প্রতিরোধে মানুষের ঐক্য জরুরি—এটাই ইঙ্গিত।
প্রবাসীদের জন্যও কেন গুরুত্ব?
প্রবাসে থাকা মানুষও জানেন, অস্থিরতা বেড়ে গেলে কাজ, আয় ও নিরাপত্তা—সবকিছুই প্রভাবিত হয়। রাজনীতি যেখানে উত্তেজিত থাকে, সেখানে পরিবার ও স্বস্তির পরিবেশও কমে আসে। তাই ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যের আহ্বান বাস্তব জীবনের সুরক্ষার সাথেও যুক্ত।
সামনে এগোতে কীভাবে ভাবা দরকার
ঐক্যের কথা বললেও তা একধরনের আত্মতুষ্টি নয়। মানুষকে মতের ভিন্নতা নিয়েই নিয়মনীতি মেনে চলার মানসিকতা গড়ে তুলতে হয়। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে কেন্দ্র করে সবাইকে সংলাপমুখী হতে হবে—এমন প্রত্যাশাই কাজ করে এই বক্তব্যের পেছনে।
যে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী প্রবণতা সমাজকে সংকুচিত করে, চিন্তার স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে। আর তাই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাই বারবার উচ্চারিত হয়।
সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন
প্রশ্ন: বিএমইউ উপাচার্য কী বিষয়ে জোর দিয়েছেন?
উত্তর: ফ্যাসিবাদ রুখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়ে।
প্রশ্ন: এই আহ্বানের প্রভাব কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও সামাজিক স্থিতিশীলতার দিকে ইঙ্গিত করে।
প্রশ্ন: প্রবাসীদের জন্য বার্তাটি কেন প্রাসঙ্গিক?
উত্তর: অস্থিরতা বাড়লে কাজ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









