এসএসসি পরীক্ষায় নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আম্বিয়া খাতুন স্মৃতি মেধাবৃত্তির আওতায় থাকা ১৯ শিক্ষার্থীর শতভাগ পাসের সাফল্য এসেছে। ফলটা শুধু কৃতিত্বের নয়, দীর্ঘদিনের শিক্ষাবৃত্তি সহায়তারও স্পষ্ট প্রতিফলন।
১৯ জনই কৃতকার্য

সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় আম্বিয়া খাতুন স্মৃতি মেধাবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন। বাকিদের ফলও উল্লেখযোগ্য—এ গ্রেড পেয়েছে ১৪ জন, আর একজন পেয়েছে বি গ্রেড।
দুটি বিদ্যালয়ের ফলাফল
এই সাফল্য এসেছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে। মনিপুরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৯ জনের সবাই কৃতকার্য হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে, বাকি সাতজন এ গ্রেড এবং একজন বি গ্রেড অর্জন করেছে।
অন্যদিকে ইউনুস মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ শিক্ষার্থীরও সবাই পাস করেছে। এদের মধ্যে তিনজন জিপিএ-৫, সাতজন এ গ্রেড পেয়েছে।
মেধাবৃত্তির ধারাবাহিক সহায়তা
আম্বিয়া খাতুন স্মৃতি মেধাবৃত্তি কার্যক্রমের নিয়মিত আর্থিক সহায়তা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই শিক্ষার্থীরা নবম ও দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন ২০২৪ ও ২০২৫ সালে বৃত্তির আওতায় ছিল।
প্রকল্পটি ২০১৯ সালে শুরু হয়। শুরুতে স্থানীয় দুটি বিদ্যালয় থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮০ জনকে বৃত্তি দেওয়া হতো। পরে ২০২৪ সালে বৃত্তির পরিধি বাড়িয়ে সপ্তম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বর্তমানে প্রতি শ্রেণি থেকে ১০ জন করে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী—মোট ৮০ জন—এই কার্যক্রমের আওতায় আসে।
প্রবাসী পরিবারের শিক্ষার্থীদের আশার বার্তা
প্রবাসে থাকা অভিভাবকদের জন্য এই ধরনের ফল সত্যি আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাও। দূর থেকে কষ্ট ভাগ করা যায় না, কিন্তু শিক্ষা এগিয়ে গেলে ভবিষ্যৎ বদলায়—এটাই সবচেয়ে বড় লাভ।
প্রশ্নোত্তর
আম্বিয়া খাতুন স্মৃতি মেধাবৃত্তি কারা পায়?
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে বৃত্তি দেওয়া হয়।
কতজন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়?
মেধাবৃত্তির আওতায় ১৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এবং ১৯ জনই পাস করেছে।
জিপিএ-৫ পেয়েছে কতজন?
১৯ জনের মধ্যে চারজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: trust.prothomalo.com









