GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আইন ও অপরাধ / অপরাধ / সাফারি পার্কে মারধরের অভিযোগ, মোবাইল-টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি

সাফারি পার্কে মারধরের অভিযোগ, মোবাইল-টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি

শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে দর্শনার্থী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষের ঘটনা

গাজীপুরের শ্রীপুর সাফারি পার্কে দর্শনার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় এক নারী ও তাঁর দুই ছেলে আহত হয়েছেন।

পার্কের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে তাদের মোবাইল ফোন, টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

তবে পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংঘর্ষে তাদের কয়েকজন কর্মচারীও আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে এ ঘটনা ঘটে।

রাতে ভুক্তভোগী দর্শনার্থী সালমা মোস্তারী শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

সালমা মোস্তারী (৪৪) ঢাকার বাড্ডা থানার গুলশান-বাটারা এলাকার বাসিন্দা।

আহত অন্য দুজন হলেন তাঁর ছেলে জারিফ (১৫) ও মাহিম (১৭)।

অভিযোগে পার্কের কর্মচারী চন্দন কুমার (৪০), মাসুদ রানা (৪০) ও ধনজয় ধনার (৩৫) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সালমা মোস্তারীর অভিযোগ, শনিবার দুপুরে কোর সাফারির টিকিট নিয়ে দুই ছেলেকে সঙ্গে করে তিনি একটি মিনিবাসে ওঠেন।

সেখানে আসনগুলো কাগজ ও পলিথিনে নোংরা ছিল।

বিষয়টি তিনি মিনিবাসের এক কর্মচারীকে জানান।

এ সময় ওই কর্মচারী তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন সালমা।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে মিনিবাসে থাকা অন্য দর্শনার্থীরাও তাঁর দুই ছেলের পক্ষে কথা বলেন।

পরে কোর সাফারি থেকে বের হয়ে গাড়ি থেকে নামার সময় কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ তাঁর।

সালমার দাবি, তাঁর দুই ছেলেকে টেনেহিঁচড়ে পার্কের অফিসে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়।

তাঁকেও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়। এতে মা ও দুই ছেলে আহত হন।

হামলার সময় তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

একটি মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি তাঁর। এ ছাড়া সঙ্গে থাকা টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন সালমা মোস্তারী।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর তাদের তিনজনকে কয়েক ঘণ্টা পার্ক অফিসে আটকে রাখা হয়।

পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর রাতে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

সালমা মোস্তারী বলেন, এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।

সেখানে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া দুঃখজনক।

এ বিষয়ে সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি তিনি জানতে পেরেছেন এবং ঘটনার সময় নিজেও পার্কে ছিলেন।

তিনি জানান, ঘটনার পর দর্শনার্থীদের ডেকে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে।

ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, এক হাতে তালি বাজে না এবং পার্কের কর্মচারীদেরও দোষ থাকতে পারে।

তবে সংঘর্ষে শুধু দর্শনার্থীরাই নন, পার্কের কয়েকজন কর্মচারীও আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, পার্ক কর্তৃপক্ষও এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

শ্রীপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tagged:

Social Icons