নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নের ফলে মানুষের হাতে অতিরিক্ত অর্থ জমা হবে।
এর ফলে অর্থনীতিতে নতুন করে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির একটি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
তবে নতুন স্কেলের কারণে সব সরকারি কর্মচারীর বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাবে—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল বলে তিনি ব্যাখ্যা দেন।
জাহেদ উর রহমান জানান, দীর্ঘদিন নতুন বেতন স্কেল না হলেও কর্মচারীরা নিয়মিত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন।
ইনক্রিমেন্ট পেতে পেতে অনেক সিনিয়র কর্মকর্তার বর্তমান বেতন ইতোমধ্যে নতুন প্রস্তাবিত স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও বাস্তবে তাঁদের হাতে অতিরিক্ত অর্থ যাওয়ার পরিমাণ খুব বেশি বড় হবে না।
বর্তমানে দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
একটি স্বাভাবিক অর্থনীতিতে ৫ থেকে ৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, মানুষের হাতে নতুন অর্থ গেলে বাজার ব্যবস্থাপনায় মূল্যের ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক।
তাই এই সম্ভাব্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংককেও কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকা রাখতে হবে।

