জাতীয় তথ্যভান্ডার থেকে নাগরিকদের তথ্য পাচারের অভিযোগে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
একই ঘটনায় ৩৪ জনকে শোকজ করা হয়েছে।
আরও ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তথ্যভান্ডার থেকে ওয়েব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের ঘটনা সামনে আসে।
এরপর ইসি ছায়া তদন্ত শুরু করে।
তদন্তে ৪ জনের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
তাদের সিএমএস আইডি ব্যবহার করে এনআইডির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল।
এই তথ্য ব্যবহার করে নাগরিকদের এনআইডি পিডিএফ সংগ্রহের ঝুঁকি তৈরি হয়।
এসব তথ্য ডার্ক ওয়েবসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ কারণে ৪ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্তদের মধ্যে রাজস্ব খাতের দুজন কর্মকর্তা রয়েছেন।
আরও দুজন আইডিইএ ২য় পর্যায় প্রকল্পের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর।
তাদের একজন কামনা রানী সরকার।
তিনি পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মচারী।
আরেকজন মো. আ. ছাত্তার।
তিনি কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া মো. আশিকুর রহমানও বরখাস্ত হয়েছেন।
তিনি রমনা থানা নির্বাচন কার্যালয়ের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ছিলেন।
মো. জাকির হোসেন সোহাগকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি তালতলী উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ছিলেন।
তদন্তের স্বার্থে আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
শোকজ পাওয়া ৩৪ জনের সিএমএস অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক সার্চ পাওয়া গেছে।
তাদের এসব সার্চের কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।
১০ কর্মকর্তার বিষয়ে সন্দেহ থাকায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ইসির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শোকজের জবাব পেলে প্রকৃত ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।
তার মতে, অনেক কর্মকর্তা কাজের প্রয়োজনেও এনআইডির তথ্য সার্চ করতে পারেন।
তবে ১০ কর্মকর্তার বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, কারণ ছাড়া কাউকে শোকজ করা হয়নি।
তিনি শোকজের জবাব পাওয়ার পর বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন।


