১৯৬৯ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে পুরো পূর্ব পাকিস্তান উত্তাল হয়ে ওঠে।
আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতা ছিলেন।
১১ দফা দাবির সমর্থনে ২০ জানুয়ারি একটি ছাত্র মিছিলে পুলিশের গুলিতে আসাদ শহীদ হন।
মাত্র ২৭ বছর বয়সী আসাদের এই মর্মান্তিক মৃত্যু গণআন্দোলনের গতিপথ এক নিমেষে বদলে দেয়।
তার মৃত্যুর পরদিন রক্তমাখা শার্ট নিয়ে হাজার হাজার মানুষ ঢাকায় প্রতিবাদী শোক মিছিল বের করেন।
উত্তাল জনতা সামরিক শাসক আইয়ুব খানের নামে থাকা ‘আইয়ুব গেট’-এর নাম বদলে ‘আসাদ গেট’ রাখেন।
একই সঙ্গে আইয়ুব এভিনিউয়ের নামও পরিবর্তন করে সম্মান জানিয়ে ‘আসাদ এভিনিউ’ রাখা হয়।
আইয়ুব গেটের এই নাম পরিবর্তনটি প্রশাসনিক নয়, বরং রাজপথের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত রাজনৈতিক প্রতিবাদ ছিল।
২৪ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থান তীব্র রূপ নিলে সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকরা রাজপথে নেমে আসেন।
আজকের ব্যস্ত ঢাকার ‘আসাদ গেট’ কেবল একটি স্থান নয়, স্বৈরশাসনবিরোধী সংগ্রামের এক অমলিন ইতিহাস।



