GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, এই লক্ষ্য কোনো স্লোগান নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। রপ্তানি, বিনিয়োগ ও আর্থিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে চলতি দশকে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বৃহস্পতিবার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইএসডিবি) অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া। এটি কোনো স্লোগান নয়, এটি একটি পরিকল্পনা।’

তিনি জানান, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে রপ্তানি, বিনিয়োগ ও আর্থিক শৃঙ্খলাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চুক্তির আওতায় ইআরএলের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ১ হাজার ৪ দশমিক ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে আইএসডিবি।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এটি বাস্তবায়িত হলে বিপিসির বর্তমান পরিশোধন ক্ষমতা ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনে উন্নীত হবে।

এর ফলে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, ইউরো-৫ মানের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমদানিকৃত পরিশোধিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি উৎপাদনকেন্দ্র এবং এ অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, পোশাকশিল্প বাংলাদেশের প্রথম বড় প্রবৃদ্ধির গল্প তৈরি করেছে। এখন ইলেকট্রনিকস, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল ও সবুজ শিল্পকে পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।

সামাজিক সুরক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি হেলথ কার্ড প্রবর্তনের কাজও চলছে।

বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তন উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও আইএসডিবির মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, আজকের অর্থায়ন চুক্তি শুধু একটি আর্থিক লেনদেন নয়, বরং বাংলাদেশের প্রতি ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের আস্থার বহিঃপ্রকাশ

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং আইএসডিবি গ্রুপের পক্ষে ডিরেক্টর জেনারেল (কান্ট্রি প্রোগ্রামস) আনাসি আইসামি চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Social Icons