২০২৮ সাল থেকে স্কুল পর্যায়েই শিক্ষার্থীদের নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র ও কেরাত শেখার সুযোগ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই কোনো না কোনো প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভা বিকাশের জন্য তাদের উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ দিতে হবে। শুধু পাঠ্যবইয়ের পড়াশোনার মধ্যে শিশুদের সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সঙ্গেও যুক্ত করা প্রয়োজন।
তিনি জানান, ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে স্কুল পর্যায়ে এসব কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী গান, নাচ, বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, কেরাতসহ নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।
তারেক রহমান বলেন, প্রত্যেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের আলাদাভাবে এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুযোগ থাকে না। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরাও যেন সমান সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যেই স্কুলভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিশুদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে সারাদেশে প্রায় ২২ লাখ ছেলে ও মেয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা গেলে ভবিষ্যতে এসব শিক্ষার্থীর মধ্য থেকেই আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া শিশুদের বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান ও জাপানিজসহ কয়েকটি ভাষার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ভাষা শেখার সুযোগ পাবে বলে জানান তিনি।









