GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষাঙ্গন / শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি যাবে না, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি যাবে না, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের চাকরি যাবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নয়নে সংশোধনী পদক্ষেপ নেওয়া এবং প্রয়োজনে পাশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি জানান, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাছাকাছি অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনা করা হবে।

শিক্ষকদের চাকরি নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী

শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে সংশোধন করা যায়, তা নিয়ে সরকার ভাবছে। তবে শিক্ষকদের চাকরি যাবে না।

ফেল করা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

কত দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো হবে, তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। তাদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে

শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগের এসএসসি পরীক্ষায় পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ বেড়েছিল। এবারও পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কোনো শিক্ষার্থী যেন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অবমূল্যায়িত না হয়, সেদিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার কথা জানান তিনি।

পাসের হার কমার কারণ খুঁজবে সরকার

এবার পাসের হার কমে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তার মতে, শিক্ষাব্যবস্থার কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দিনে ফলাফলের উন্নয়নে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

Social Icons