এ বছর ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ় হবে কি না—এই প্রশ্নটা এখন সবচেয়ে বেশি ঘুরছে ক্রিকেটমাঠের বাইরে, টেলিভিশনের পর্দা ও মোবাইলের স্ক্রিনেও। বিসিবি প্রধান তামিম ইকবাল সিরিজ় আয়োজন প্রসঙ্গে যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেটাই আলোচনায় এনেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও।
তামিমের বক্তব্যে সিরিজ নিয়ে নতুন আগ্রহ

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সিরিজ় নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও, তামিম ইকবালের কথার পর ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে অপেক্ষা বাড়ে। কারণ, এমন সিরিজ় মানেই ঘরোয়া ক্রিকেট-আলোচনার পাশাপাশি দর্শক-সমর্থকদের জন্যও বড় একটা সময়ের প্রতিশ্রুতি।
এ বছর কি সম্ভব—আলোচনায় মূল প্রশ্ন
এ বছরেই সিরিজ় আয়োজন হবে কি না—বিষয়টি নিয়েই তামিম ইকবালের কথাবার্তা বেশি করে আলোচনায় আসে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের জন্যও এটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সিরিজ় হলে ম্যাচ দেখা, টিকিট/ভিসা পরিকল্পনা কিংবা পারিবারিক সময় সাজানো—সবকিছুর একটা ধরন বদলে যায়।
প্রস্তুতি আর সময়সূচির বাস্তবতা
ক্রিকেট সিরিজ় মানেই শুধু খেলাধুলা নয়; প্রস্তুতি, দল গঠন, লজিস্টিকস—সব মিলিয়েই সময় নির্ধারণ করা লাগে। তামিম ইকবালের ইঙ্গিত সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই সামনে আনা হয়েছে বলে বোঝা যাচ্ছে, যেখানে ‘সম্ভাবনা’ নিয়েই কথা এসেছে বেশি, চূড়ান্ত ধরা হয়নি কোনো বাড়তি নিশ্চয়তায়।
প্রবাসীদের জন্য কেন বিষয়টা জরুরি
বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট মানেই দর্শক টানার আলাদা ব্যাপার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে ম্যাচগুলো পরিবার নিয়ে দেখার সুযোগ তৈরি করে, আর এতে থাকে দেশের ক্রিকেটের সঙ্গে মানসিক যোগসূত্র। সিরিজ় আয়োজন ঘনিয়ে এলে পরিকল্পনাও সহজ হয়।
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, সিরিজ় নিয়ে তামিম ইকবালের ইঙ্গিতই এখন সবচেয়ে আলোচিত সূত্র। তবে সময়সূচি চূড়ান্ত হলে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে, এ বছরই মাঠে গড়াবে কি না।
সংক্ষেপে প্রশ্নোত্তর
এ বছর ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ় হবে কি না?
বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালের বক্তব্যে সম্ভাবনার ইঙ্গিত আছে, তবে নিশ্চিত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সময়সূচির ওপর নির্ভর করে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিষয়টা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সিরিজ় হলে ম্যাচ দেখা, পারিবারিক পরিকল্পনা ও ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে সময় সাজানো সহজ হয়।
কাদের মধ্যে সিরিজ় নিয়ে কথা?
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সিরিজ়—এটাই মূল আলোচনার জায়গা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









