কক্সবাজার বন্ধুসভা জিপিএ-৫ সংবর্ধনা সফল করতে কার্যক্রম আরও গুছিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাংগঠনিক সভায় বলা হয়েছে, এবার সর্বোচ্চ শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রচারণা, নিবন্ধন ও সার্বিক আয়োজনের দিকে জোর দিতে হবে।
জিপিএ-৫ সংবর্ধনায় সর্বোচ্চ উপস্থিতি লক্ষ্য

সভায় মূল ফোকাস ছিল জিপিএ-৫ সংবর্ধনা। বন্ধুসভা নেতৃত্বরা আলোচনা করেন, কীভাবে প্রচারণা বাড়িয়ে এবং নিবন্ধন কার্যক্রম সহজ ও দ্রুত করে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।
প্রচারণা ও নিবন্ধন জোরদার করার নির্দেশ
সভায় জোর দিয়ে বলা হয়—সময় নষ্ট না করে নিয়মিত প্রচারণা চালাতে হবে। পাশাপাশি নিবন্ধন বাড়ানোর কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, যাতে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই অংশগ্রহণকারীদের তালিকা নির্ভরযোগ্যভাবে প্রস্তুত থাকে।
অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার তাগিদ
কক্সবাজার বন্ধুসভা মনে করছে, পরিকল্পিতভাবে প্রতিটি বিষয় ঠিকঠাক সম্পন্ন করা গেলে অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খল হবে। উপস্থিতির সংখ্যা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আয়োজনের শৃঙ্খলাও নিশ্চিত করা হবে—সভায় এই বার্তাই উঠে আসে।
সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার আলোচনা
এ ছাড়াও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়েও আলোচনা হয়। সংগঠনকে এগিয়ে নিতে পরিশ্রমী, সৃজনশীল ও কর্মক্ষম বন্ধুদের নেতৃত্বে কাজ করার কথাও সভায় বলা হয়েছে।
সভাটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উলফাতুল মোস্তফা। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল নবী। উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারগুভ মোর্শেদ, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক আয়েশা ছিদ্দিকা, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মুবিনুর রশিদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুজিবুল হাসান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হোছেনসহ আরও অনেকে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: bondhushava.com









