রাঙ্গামাটিতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর ঘাতক নিজেই পুলিশের কাছে গিয়ে আত্মসমর্পণ করায় দ্রুততার বার্তা মিলেছে তদন্তের শুরুতেই।
ঘটনাটি যেভাবে ঘটেছে

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাঙ্গামাটির সদর উপজেলার জিবতলী ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়ায় রিপন চাকমা (১২) খুন হন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই সময় বিকেল আনুমানিক পাঁচটার দিকে রিপন প্রতিবেশীর কাছে পানি সংগ্রহ করতে গেলে ঘাতক স্বপন চাকমা আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছিল।
একপর্যায়ে স্বপন শিশুটিকে ধরে একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিপনের বুকে আঘাত করা হয়। পরে সে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে গলায় ছুরি দিয়ে জবাই করে গুরুতর আঘাত করা হয়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘাতকের আত্মসমর্পণ
রিপনের মৃত্যুর পর স্বপন চাকমা পার্শ্ববর্তী কাপ্তাই সার্কেল অফিসে গিয়ে পুলিশের কাছে হত্যার কথা বলে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। রাত দশটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্বপনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
পূর্ব শত্রুতার জের সন্দেহ
রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
ময়নাতদন্ত ও মামলা
নিহত রিপন চাকমা রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার জীবতলীর হেডম্যান পাড়ায় তার খালুর বাড়িতে থাকতেন এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন।
প্রবাসী পরিবারের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
এই ঘটনা পরিবারের নিরাপত্তা ও শিশুদের সুরক্ষার প্রশ্নটিকে সামনে আনছে। প্রবাসে থাকা অভিভাবকদেরও উচিত স্কুলপথ ও আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ রাখা, যাতে ঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করা যায়।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
ঘাতক কীভাবে ধরা পড়ল?
ঘটনার পর স্বপন চাকমা কাপ্তাই সার্কেল অফিসে গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
নিহতের পরিচয় কী?
নিহত রিপন চাকমা (১২), সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত।
মামলার অবস্থা কী?
নিহতের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









