পাসপোর্ট শক্তিমত্তা—এমন এক সূচক, যা প্রবাসী ও ভ্রমণকারীদের কাছে বারবার সামনে আসে। কোন দেশের পাসপোর্ট দিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি সংখ্যক দেশে যাওয়া যায়, আর ভিসা প্রক্রিয়া কতটা সহজ হয়—তার ওপরই এই র্যাংকিং দাঁড়ায়।
সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট সবচেয়ে শক্তিশালী

এই সূচকে সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টকে শীর্ষে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, ভ্রমণের ক্ষেত্রে দেশটির পাসপোর্ট সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও সিঙ্গাপুর ট্রানজিট কিংবা স্বল্প-মেয়াদি ভ্রমণে আগ্রহ থাকে। ফলে র্যাংকিংটি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় এসেছে।
বাংলাদেশ-উত্তর কোরিয়া ৯৭তম
তালিকার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়াকে ৯৭তম অবস্থানে রাখা হয়েছে। এই র্যাংকিং ইঙ্গিত দেয়—পাসপোর্ট দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে ভিসা-সম্পর্কিত শর্ত তুলনামূলকভাবে বেশি জটিল হতে পারে।
প্রবাসীদের পরিকল্পনায় প্রভাব
র্যাংকিং মানেই সবসময় যাতায়াত সহজ হবে—এমন নিশ্চয়তা নয়। তবু সূচকটি ভ্রমণ পরিকল্পনায় দিকনির্দেশনা দেয়। টিকিট বুকিংয়ের আগে ভিসার ধরন, প্রসেসিং সময়, কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা—এসব বিবেচনায় এনে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
যা মাথায় রেখে এগোবেন
আপনি যদি নিয়মিত কাজের কারণে বা পরিবার ভ্রমণের জন্য বিদেশ যেতে চান, তাহলে পাসপোর্টের অবস্থা হালনাগাদ রাখা জরুরি। ভিসা শর্ত বদলাতে পারে বলে আগে থেকেই নির্ভরযোগ্য তথ্য যাচাই করাও ভালো। কারণ পাসপোর্টের শক্তিমত্তা সূচক ভ্রমণের সামগ্রিক বাস্তবতার একটি চিত্র দিলেও প্রতিটি দেশের নিয়ম আলাদা।
সব মিলিয়ে, পাসপোর্ট শক্তিমত্তার এই র্যাংকিং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি কার্যকর ইঙ্গিত। আপনার পরবর্তী সফর নিয়ে ভাবলে, ভিসা পরিকল্পনাও ঠিক সেই সময়েই সাজিয়ে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
প্রশ্নোত্তর
পাসপোর্ট শক্তিমত্তা সূচক কী কাজে লাগে?
কোন দেশের পাসপোর্ট দিয়ে কতটা সুবিধাজনকভাবে বিদেশে যাওয়া যায়—সেটা তুলনামূলকভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
বাংলাদেশ ৯৭তম অবস্থানে থাকলে কী বোঝায়?
সাধারণভাবে বোঝায় ভিসা-সম্পর্কিত শর্ত তুলনামূলকভাবে কঠিন হতে পারে, তাই আগেভাগে প্রস্তুতি দরকার।
র্যাংকিং কি গ্যারান্টি হিসেবে ধরা যায়?
না। প্রতিটি দেশের নীতি, ভিসার ধরন এবং সময়ভেদে শর্ত বদলাতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









