বদলি বাণিজ্য ও পদায়নের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।
এ ঘটনায় সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি দুদকের পাওয়া ‘প্রমাণ’ জনগণের সামনে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ১৮৮ জন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে।
তার দাবি অনুযায়ী, প্রত্যেক কর্মকর্তার কাছ থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।
এভাবে মোট ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় একজন উপদেষ্টা রয়েছেন।
একজন সচিবের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে।
একজন যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে।
একজন উপসচিবের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে।
দুদক বলছে, এ ঘটনায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সেই প্রমাণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি জানান, এ বিষয়ে রাতে বিস্তারিত কথা বলবেন।
এর আগে বুধবার দুপুরে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের অনুসন্ধানে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা অবৈধ আয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।
এই অর্থ বদলি বাণিজ্য ও পদায়নের মাধ্যমে অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ আসে।
ওই সময়ে মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ।
অভিযোগে বর্তমান সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমের নাম রয়েছে।
যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেনের নামও রয়েছে।
যুব-১ শাখার উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের নামও রয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে আসিফ মাহমুদের সঙ্গে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য চার সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
অনুসন্ধান দলের প্রধান করা হয়েছে উপপরিচালক জাহিদ কালামকে।
