GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আইন ও অপরাধ / আইনশৃঙ্খলা / সাগর-রুনি হত্যায় নতুন তথ্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার দাবি

সাগর-রুনি হত্যায় নতুন তথ্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার দাবি

সাগর-রুনি হত্যা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

তদন্তের স্বার্থে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি চিফ প্রসিকিউটর। তবে তার ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম বলেন, অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা কিছু তথ্য বা ক্লু পেয়েছে।

তার দাবি, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও এসব তথ্যের যোগসূত্র পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের কানেকশন পাওয়া গেছে।

তবে ওই ব্যক্তি কীভাবে বা কতটা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ওই ব্যক্তির ওপর নজরদারিও রয়েছে।

তদন্তে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে তা পিবিআইকে সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) করছে।

এদিকে সাগর-রুনি হত্যা নিয়ে গঠিত টাস্কফোর্স ছাড়া অন্য কারও তথ্য প্রচার করা হলে তদন্তের স্পিরিট নষ্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবারের আইনজীবী শিশির মনির।

রোববার বিকেলে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রচার হওয়া বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে জানতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন এই দম্পতির একমাত্র সন্তান মেঘ।

এদিকে সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হবে কি না, সে বিষয়েও কথা বলেছেন আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এটি একটি ব্যক্তিগত হত্যাকাণ্ডের মামলা। তাই এর বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই হবে।

তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার হওয়ার সুযোগ নেই। মামলাটি সাধারণ ফৌজদারি আদালতেই নিষ্পত্তি হবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি

এক দশকের বেশি সময় পার হলেও এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি।

এ ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখও দফায় দফায় পিছিয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত নিয়ে সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে।

Social Icons