রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মীরহাজীরবাগ এলাকায় একটি বাসা থেকে শিরিন বেগম (৩৫) নামে এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত নারীর স্বামী দুলালকে (৫০) আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মরদেহ উদ্ধার
যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. একেএম মইনুদ্দিন জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর মীরহাজীরবাগ এলাকার একটি বাসায় যায়।
সেখান থেকে শিরিন বেগমের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁর স্বামী দুলালকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
দাম্পত্য কলহের কথা জানিয়েছে পুলিশ
পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, শিরিন বেগমের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এর জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
পরিদর্শক মো. একেএম মইনুদ্দিনের ভাষ্য অনুযায়ী, স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহের মাথা ও কোমর থেকে দুই পা আলাদা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।
নিহতের বাড়ি পটুয়াখালীতে
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিরিন বেগমের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানার বিখাখালি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম সোহরাব আলী।
নিহতের এক ছেলে চট্টগ্রামে এবং এক মেয়ে গাজীপুরে থাকেন। তাঁদের খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তের পর হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।








