প্রোস্টেট ক্যানসার নিয়ে ভুল ধারণা রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় বড় ধরনের বিলম্ব ঘটাতে পারে। অনেক পুরুষ রোগটি সম্পর্কে ভুল বিশ্বাসের কারণে নিয়মিত পরীক্ষা বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এড়িয়ে যান।
বিশ্বজুড়ে পুরুষদের মধ্যে প্রোস্টেট ক্যানসার অন্যতম সাধারণ ক্যানসার। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগটি সম্পর্কে কোনটি সত্য আর কোনটি ভুল ধারণা, তা জানা প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভারতের বিশাখাপত্তনমের এআইএনইউ-এর সিনিয়র কনসালটেন্ট ইউরোলজিস্ট, ল্যাপারোস্কোপিক, রোবটিক ও ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন ডা. অমিত সাপলের মতে, রোগটির চেয়ে এ সম্পর্কে থাকা বিভিন্ন ভুল ধারণাই অনেক সময় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার প্রক্রিয়াকে বেশি বাধাগ্রস্ত করে।
এখানে প্রোস্টেট ক্যানসার নিয়ে পাঁচটি প্রচলিত ভুল ধারণা তুলে ধরা হলো।
ভুল ধারণা ১: প্রোস্টেট ক্যানসার শুধু বয়স্কদের হয়
বয়স প্রোস্টেট ক্যানসারের অন্যতম পরিচিত ঝুঁকিপূর্ণ কারণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোগের ঝুঁকিও বাড়ে।
তবে শুধু বয়সই একমাত্র কারণ নয়। পারিবারিক ইতিহাস ও জিনগত কারণও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফলে তুলনামূলক কম বয়সি পুরুষদের মধ্যেও এ রোগ দেখা দিতে পারে।
পরিবারে প্রোস্টেট ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে স্তন বা ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের পারিবারিক ইতিহাস থাকলেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত, কারণ এসব রোগের সঙ্গে কিছু জিনগত যোগসূত্র থাকতে পারে।
ভুল ধারণা ২: কোনো লক্ষণ নেই, তাই প্রোস্টেট ক্যানসারও নেই
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা। প্রোস্টেট ক্যানসার বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ ছাড়াই দেখা দিতে পারে।
আবার রোগটির কিছু উপসর্গ প্রোস্টেট গ্রন্থির বেনাইন বৃদ্ধির সমস্যার সঙ্গে মিলে যেতে পারে। যেমন দুর্বল প্রস্রাবের ধারা, প্রস্রাব করতে অসুবিধা, ঘনঘন প্রস্রাবের তাগিদ কিংবা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিতে পারে।
কখনো মূত্রথলি পুরোপুরি খালি না হওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
তাই শুধু শরীরে কোনো লক্ষণ আছে কি না, তার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। লক্ষণ থাকুক বা না থাকুক, ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো জরুরি।
ভুল ধারণা ৩: [উৎসে পরবর্তী অংশ নেই]
প্রদত্ত প্রতিবেদনের অংশে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ভুল ধারণার বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই উৎসের বাইরে গিয়ে সেগুলো যোগ করা হলো না।






