GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / বাংলাদেশে আরও ফরাসি বিনিয়োগ চাইলেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

বাংলাদেশে আরও ফরাসি বিনিয়োগ চাইলেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

বাংলাদেশে আরও ফরাসি বিনিয়োগ চাইলেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারেল। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফ্রান্সের অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, বিমান চলাচল, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

এ ছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) আসন্ন অধিবেশনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের অগ্রাধিকার ও প্রত্যাশা নিয়েও মতবিনিময় হয়। জলবায়ু পরিবর্তন, বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন তারা।

বাংলাদেশে আরও বেশি ফরাসি বিনিয়োগ আনার আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির। অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মহাকাশ গবেষণা, প্রযুক্তি ও ওষুধ শিল্পকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করে এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

দুই দেশের মধ্যে বৈধ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় আসে। এ সময় অনিয়মিত অভিবাসন ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘শূন্য-সহনশীলতা’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফ্রান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহও জানান তিনি।

রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারেল পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে ফ্রান্সের প্রস্তুতির কথা জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করে বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। প্রতিমন্ত্রী ১৩ লাখ রোহিঙ্গার জন্য ফ্রান্সের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন। উভয়পক্ষ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তুতির কথা জানায়।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক শেষ হয়। উভয়পক্ষ আশা প্রকাশ করে, নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে।

Social Icons