GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / বিদ্যুৎ ও জ্বালানি / বাড়তে পারে লোডশেডিং, সর্বোচ্চ ঘাটতির পূর্বাভাস

বাড়তে পারে লোডশেডিং, সর্বোচ্চ ঘাটতির পূর্বাভাস

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ের মধ্যে অন্ধকারে থাকা একটি এলাকা।

দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় শনিবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

বিকাল ৫টায় লোডশেডিং সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

পিজিসিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সকাল ১০টায় লোডশেডিং হতে পারে ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট।

দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াটে।

বিকালের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি আরও দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট হতে পারে।

বিকাল ৩টায় তা বেড়ে ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে।

বিকাল ৪টায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বিকাল ৫টায় দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পিজিসিবির তথ্য থেকে জানা গেছে।

এরপর সন্ধ্যার দিকে লোডশেডিং কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

তবে সন্ধ্যা ৭টার পর আবারও বিদ্যুৎ ঘাটতি বাড়তে পারে। এ সময় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

রাত ৯টায় তা বেড়ে ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে।

এ সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট।

রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াট হতে পারে।

বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।

এর আগের কয়েক দিনেও দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং দেখা গেছে।

Tagged:

Social Icons