মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সাবেক এমপি কাজী মনিরুল ইসলামসহ চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া আরও পরিষ্কার পথে এগোলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ট্রাইব্যুনালের আদেশ

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সোমবার আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আসামিরা কারা
আদেশে যাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, তারা হলেন যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ মুন্না এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম খান। এ তালিকায় সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলামও রয়েছেন।
পূর্বের গ্রেপ্তার অবস্থা
ট্রাইব্যুনালের আদেশের আগে আবুল হাসানকে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। অন্য তিন আসামিকে বিভিন্ন থানায় হওয়া মামলায় আগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। আজ তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানোর পদক্ষেপ সম্পন্ন করা হয়।
মামলার অভিযোগের প্রেক্ষাপট
এই মামলাটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ী এলাকায় সংঘটিত ঘটনার সূত্র ধরে এগিয়েছে। প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ওই এলাকায় একাধিকজন নিহত হন এবং ২০ জুলাই আরও হতাহতের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চার আসামিকে আজ গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ন্যায়বিচারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ভাঙে—যা পরিবার, সম্পদ ও নিরাপত্তা চিন্তা করে থাকা মানুষের স্বস্তির জায়গা তৈরি করে।
সংক্ষেপে কয়েকটি প্রশ্ন
কী আদেশ দেওয়া হলো? মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি মনিরুলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ।
কোন আদালত আদেশ দিয়েছে? আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
আদেশের আগে আসামিদের অবস্থা কী ছিল? একজনকে অন্য মামলায়, বাকি তিনজনকে অন্যান্য থানার মামলায় আগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









