রাজধানীর বকশীবাজার এলাকার সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় সংঘর্ষ থামতে না থামতেই দখল-সংক্রান্ত চিত্র বদলে গেছে। সংঘর্ষের পর ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর মাদ্রাসার আবাসিক হলে ঢুকেছে ছাত্রদল-যুবদলের নেতা-কর্মীরা।
হল ছেড়ে সরে যাওয়ার পর ছাত্রদলের প্রবেশ

সন্ধ্যার দিকে ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা চলে যাওয়ার পর মাদ্রাসার একমাত্র আবাসিক হল আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলে ঢুকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। হলের ভেতরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ছাত্রশিবিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা বলে কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
ভাঙচুর ও অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ
ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের আচরণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ আছে, হলের ভেতরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল হককে তাঁদের কয়েকজন মারধর করেছেন। এরপর শিক্ষার্থীদের বের হয়ে যেতে বলা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরাপত্তার কথা বলে হল তালাবন্ধ
শিক্ষার্থীরা বের হয়ে গেলে হলের ফটকে তালা লাগানো হয়। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হল তালাবন্ধ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে খুলে দেওয়া হবে।
পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, আহতের দাবি দুই পক্ষের
এদিকে সংঘর্ষের শুরু হয় মাদ্রাসার সামনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে। বিকেলের দিকে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে বিবরণ আছে।
ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাঁদের ২৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাঁদের ৩০ জনের বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। দুই পক্ষই গুরুতর অবস্থার কয়েকজন আহতের কথাও বলেছে।
প্রবাসী পরিবারের বাস্তব প্রভাব
প্রবাসীদের জন্য এমন খবরের বড় দিক হলো—রাজনৈতিক সংঘাতের ঝাঁকুনি সরাসরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরিবারগুলোর নিরাপত্তা ভাবনায় প্রভাব ফেলে। অনিশ্চয়তার মধ্যে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া ও পড়াশোনার পরিবেশ নিয়ে উৎকণ্ঠাও বাড়ে।
সংক্ষেপে: আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় সংঘর্ষের পর ছাত্রশিবির সরে গেলে হলে ছাত্রদল-যুবদলের নেতা-কর্মীদের প্রবেশ, ভাঙচুর ও তালাবন্ধ—এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা।
প্রশ্নোত্তর
হলে তালা লাগানো হলো কেন?
নিরাপত্তার কথা বলে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য হল তালাবন্ধ করা হয়েছে।
সংঘর্ষের শুরুটা কোথায়?
মাদ্রাসার সামনে উত্তেজনা থেকে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়।
দুই পক্ষের আহতের দাবির পার্থক্য কেন?
প্রতিটি পক্ষই নিজেদের মতো করে সংঘর্ষের ক্ষতির হিসাব দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









